পোস্টগুলি

স্মৃতিচারণ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’ ‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশন কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি সেন

  আজও মনে আছে, সপ্তম কি অষ্টম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের সেই বিখ্যাত লাইন— “ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি সেন রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে ভারতবর্ষ অধিকার করেন।” সমাজের শিক্ষক ক্লাসে প্রশ্ন করেছিলেন, “কে রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করেন?” জবাব দিয়েছিলাম, “ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি সেন।” “ধুর বেটা! সেন পাস কই?” বলে পিঠে ফেলেছিল একটা সেই লেভেলের ঢিসুম। এখনও মনে আছে। পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের লেখক যতি চিহ্ন ব্যবহার করেনি, তার ফল ভোগ করতে হয়েছিল, এই নির্দোষ বালকটিকে। হে লেখক সম্প্রদায়, আপনাদেরকে একটাই অনুরোধ; এরপর থেকে লেখার মধ্যে ঠিকঠাকভাবে যতি চিহ্ন ব্যবহার করবেন। আপনাদের সৃষ্ট একটা অতি সামান্য ভুল বোঝাবুঝি, আরেকজনের কান্নার কারণ হতে পারে।

আমি এবং নির্বাচন

এ  আর কি নির্বাচন! নির্বাচন হতো আমাদের স্কুল-কলেজে। কি পরিমাণ রাজনীতি যে সেখানে ছিল চিন্তা করতে পারবেন না। আমি জীবনে কখনো নির্বাচনে জয়ী হইনি। স্কুল জীবনে নিজে থেকে দাঁড়াইও নাই। তো একবার ক্লাস সেভেন কি এইটে বন্ধুরা আমাকে জোর জবরদস্তি করে দাঁড় করিয়ে দিলো। মজার ব্যাপার হলো, আমার সেই একমাত্র নির্বাচনে আমি এক ভোটও পাইনি। নিজেরটাও না। কারণ আমার নিজের পক্ষে নিজেকে সাপোর্ট করাটা বিবেকে বাঁধছিল। যেহেতু একটাও ভোট পাইনি তাই আমি জেনে গিয়েছিলাম সবগুলোই পল্টিবাজি করেছে। পরে অজুহাত দিলো, “তোর পরে যে দাঁড়িয়েছে, ও না দাঁড়ালে সবাই ভোট তোকেই দিতো বিশ্বাস কর।” সেদিন প্রতারিত হয়ে আমার লুবাবার চেয়ে বেশি কান্না পেয়েছিল তা বলাই বাহুল্য। তবে এটাই আমার প্রথম নির্বাচন না। আমি সবসময়ই যেহেতু শিক্ষকদের মোস্ট ফেভারিট ছিলাম। তাই ক্লাস থ্রি কি ফোরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ক্যাপ্টেন বানিয়ে দিয়েছিল। দায়িত্ব সামান্যই কারা বিশৃঙ্খলা করছে তার নোট রাখা। আমার অবশ্য ঐদিন বাড়িতে ছুটি নিয়ে আগে চলে আসার কথা ছিল। এক ছেলেকে নাম লেখার দায়িত্ব দিয়ে চলে এলাম। ঐ দিনই ওদের মারামারি হবার ছিলো! আর ঐ ছেলেটাও আমার বি...