পোস্টগুলি

ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশনী কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

প্রজেক্ট: লো পাওয়ার লং টাইম ড্রোন

ছবি
এই ড্রোন শুধু ২ নবের রিমোট ব্যবহার করে যেকোনো দিকে বা যেকোনো উচ্চতায় নেয়া যাবে মডেলটি ৪ সেক্টরের। ১. ২ ডানা, ২. ট্রান্সমিট ইউনিট, ৩. ডিরেকশন কন্ট্রোলার ও  ৪. পেছনে মোটর ইউনিট। সেক্টর ১: প্রতি ডানায় প্রপেলার যা যা থাকবে- দুটি হ্যালিক্যাল গেয়ার, ২টা প্রপেলার, ২টা প্রপেলার স্টেন্ড আর মোটর থেকে রিবন পর্যন্ত রাবারের রিবন। যেভাবে থাকবে- সেক্টর ২:  ট্রান্সমিট ইউনিট যা যা থাকবে- আরডুইনো ও ক্যামেরা অথবা ESP32 CAM টাইপ ক্যামেরাগুলোর কোনো একটা, ২টা SMD মসফেট, সুইচ ও চার্জিং পোর্ট। সেক্টর ৩: ডিরেকশন কন্ট্রোলার  যা যা থাকবে- মোটর, ওয়ার্ম গেয়ার সেট, সার্কেল, ওয়ার্ম গেয়ারের ওপরের বৃত্তাকার টেবিল আর ব্যাটারি। সেক্টর ৪: পেছনে মোটর ইউনিট যা যা থাকবে- একটি মোটর। তাছাড়া- প্রধান মোটর (সেক্টর ৪), ডিরেকশন কন্ট্রোলার মোটর, ব্যাটারি আর ক্যামেরা মডিউল জোড়া দেয়ার জন্য লাগবে তার ২৬ গেজের তার। ক্যামেরা মডিউলের জন্য (এক্ষেত্রে ক্যামেরা মডিউলে কোড প্রবেশ করাতে লাগবে  FTDI USB-to-TTL Programmer মডিউল )  বা   আরডুইনোর জন্য লেখতে হবে কোড।

প্রজেক্ট: মিনি ড্রোন 2MP (৫-৬ ‍মিনিট উড়বে)

ছবি
  যা যা লাগবে ক্যামেরা: ESP32-CAM 8520 Coreless Motor (৪টি-২টি ক্লকওয়াইস আর ২টি এন্টি ক্লক ওয়াইস নিতে হবে) প্রপেলার (৪টি) MOSFET (SMD): SI2302 (৪টি) ব্যাটারি: LiPo 600mAh 3.7V (25C এর বেশি) চার্জিং মডিউল: TP4056 Type B/C (নিজের সুবিধামতো তবে বেশি শক্তিশালি চার্জার দিয়ে চার্জ করতে না যাওয়াই ভালো) সুইচ ১টি ২৪/২৬ গেজের সিলিকন তার/পিভিসি ওয়ার/রিবন ওয়ার সবচেয়ে বেশি লাগবে। ক্যামেরা থেকে শুধু মসফেটে লাইন নিতে সূক্ষ্ম ৩০ গেজের সুপার এনামেল্ড তামার তার লাগবে। রেডিমেট বা নিজের বানানো ফ্রেম ড্রোন চালানোর জন্য C++ কোড FTDI USB-to-TTL Programmer (শুধু ক্যামেরার প্রসেসরে কোড ভরার সময় লাগবে) আসল ব্যাটারি দেখতে এমন বাজেট: দেড় হাজার। কোড লেখার দায়িত্ব তাওছিফের। যদি সে তার কোড পাবলিক করতে চায় তবেই শুধু দেয়া হবে।

বাইবেল অনুসারে কেয়ামতের খবর কী?

ছবি
কেয়ামত নিয়ে আমাদের কতই না মাথাব্যথা। মুসলিম-হিন্দু-খ্রীষ্টান সব ধর্মেই আছে নিজস্ব ব্যাখ্যা। কিন্তু কেউ কোনোদিন অন্য জনের মতের সাথে বিষয়গুলো মিলিয়ে দেখেনি। আজ আপাতত বাইবেলের ধ্বংসতত্ত্ব নিয়েই আলোচনা করি। ইসলাম আর হিন্দু ধর্ম নিয়ে অনেকেই অনেককিছু ইতিমধ্যে জানে। ইসলামে  যেমন ১০টি বড় আলামত আর অসংখ্য ছোট আলামত  আছে তেমন বাইবেলেও আছে দাজ্জাল বা এন্টিক্রাইস্ট বাদে আরও ৭টা সিল (বড় আলামত বলতে পারেন)। চলুন এ বিষয়ে আলোচনা করি। ১ম সিল: সাদা ঘোড়া ওয়ালা অশ্বারোহীর আবির্ভাব । তার প্রতীক হবে মুকুট আর সাথে থাকবে ধনুক। সে মিথ্যা শান্তির প্রতিশ্রুতি দিবে। সে বিশ্বজুড়ে বিজয়ের ও শান্তির বার্তা দিবে কিন্তু তা হবে চরম ধোঁকা। (অনেকে এটা দাজ্জালের সাথে মিলাতে পারেন, তবে আমি এর অন্য ব্যাখ্যা করতে যাচ্ছি।) ২য় সিল: লাল ঘোড়া ওয়ালা অশ্বারোহীর আবির্ভাব । তার সাথে থাকবে তলোয়ার আর সে পৃথিবীতে নিয়ে আসবে যুদ্ধ ও রক্তপাত।  ৩য় সিল: কালো ঘোড়া ওয়ালা অশ্বারোহীর আবির্ভাব । তার হাতে থাকবে দাঁড়িপাল্লা আর সে দুনিয়ায় নিয়ে আসবে দুর্ভিক্ষ । তার আভির্ভাবের পর ১ দিনের পারিশ্রমিক দিয়ে মানুষের একবেলার খাবারও জুটবে না। ...

উপায় লোডশেডিং

ছবি
ছবিটা লোডশেডিংয়ের জন্য তোলা যায়নি একে তো বিদ্যুৎ থাকে না, তার ওপর দু’মাস পরপর মূল্যবৃদ্ধি। ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করার কথা রূপপুরে সদ্য চালু হওয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের। মানে বাংলাদেশের সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের জন্য এটা একাই দিনে ৩ ঘন্টার মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করার কথা। কিন্তু বিদ্যুৎটা কোথায়? আদানির সাথে আবার নতুন করে চুক্তি করা হয়েছে। যার কারণে বাড়ছে দাম। সেই বিদ্যুৎটাই কোথায়? নিজেদের আগের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ পেতাম তাও তো পাচ্ছি না। এখন কেউ কেউ অজুহাত দিবে তেল সংকট। কিন্তু বাংলাদেশের কোনো তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রই তেলে চলে না, চলে কয়লার সাহায্যে। ইউক্রেন যুদ্ধের সময় কয়লা সংকট হয়েছিল বলে কয়েকটা বিদ্যুৎকেন্দ্র অবশ্য গ্যাসে চলে। ভালো সার্ভিস যদি না পায়, জনগণ কেন অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করবে? কারণ তাদের বিকল্প নেই। যত যাই হোক বিদ্যুৎ ছাড়া আমরা অচল। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগায় আমাদের দেশের আমলারা। ইউক্রেনে যুদ্ধ? দাও লোডশেডিং। ইরানে পেট্রোল আটকে দিয়েছে? লাগাও লোডশেডিং। গ্যাস বিক্রেতারা ধর্মঘট ডেকেছে? এই সুযোগ, লোডশেডিং। দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদন...

বাংলা মহাকাব্য

ছবি
মাইকেল মধুসূদন দত্ত যখন বাংলায় প্রথম মহাকাব্য রচনা করেন তারপর থেকে কবিদের একটা প্রতিযোগিতা শুরু হয়।  কে মহাকাব্য লিখতে পারে, এটা এক বড় যোগ্যতা? এ উন্মাদনা পরবর্তী ৬ দশকের বেশি সময় ধরে চলেছিল। রবীন্দ্রনাথও যে একসময় মহাকাব্য লেখার চিন্তা করেছিলেন সে ব্যাপারে তো সে তার পঞ্চভূতে বলেছেনই। অনেকেই শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত সফলতা পেয়েছিলো খুব কম মহাকাব্যই। আমার অনুসন্ধান মতে মাত্র ১২টি। আর মহাকবি মাত্র ৯ জন। তারা হলেন- মাইকেল মধুসূদন দত্ত,  হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়,  হরিমোহন মুখোপাধ্যায়,  নবীনচন্দ্র সেন, মানকুমারী বসু, মোজাম্মেল হক, কায়কোবাদ,  ইসমাইল হোসেন সিরাজী ও যোগীন্দ্রনাথ বসু। বাংলা সাহিত্যের মহাকাব্যের টাইমলাইনকে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলা যায়।  → পৌরাণিক মহাকাব্যের যুগ ১৯ শতকের শেষ ৪ দশক ( ১৮৬১-১৯০০ সাল) ১. মেঘনাদবধ কাব্য-মাইকেল মধুসূদন দত্ত ২. বৃত্রসংহার ( দুই খণ্ড )-হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ৩. মুকুট উদ্ধার -হরিমোহন মুখোপাধ্যায় ৪. বীরকুমার বধ কাব্য - মানকুমারী বসু   ৫ . রৈবতক-নবীনচন্দ্র সেন ৬. কুরুক্ষেত্র-নবীনচন্দ্র সেন   ৭. প্রভা...

আমেরিকার গ্রেট সিল আর ইলুমিনাতি

ছবি
আমেরিকার গ্রেট সিল দেখেছেন? বিশেষ করে এর পেছনের অংশটা খুব আলোচিত। অনেকে এটাকে ইলুমিনাতির প্রতীক দাবী করে আর এ ও দাবী করে যে ইলুমিনাতিরা দাজ্জালের অনুসারী। ড্যান ব্রাউনের উপন্যাস ‘এঞ্জেলস এন্ড ডেমনস’ বইয়ের কারণে ইলুমিনাতি নামটা দুশো বছর পর আবার ফিরে আসে আর তাকে এই প্রতীকের সাথে তুলনা করা হয়। তার উপন্যাসে বড় ভূমিকা ছিল এই ইলুমিনাতির। সে বইয়ের জন্য ইলুমিনাতির প্রতীকও ডিজাইন করিয়েছিল। যা আসলে ইংরেজিতে ছিল, জার্মান ভাষায় না, মানে প্রতীকের থিম এক হলেও তা আসল ইলুমিনাতির প্রতীকের মতো ছিল না। যেমন বাস্তবে ইলুমিনাতি ছিল না। বাস্তবে ইলুমিনাতি (যার অর্থ আলোকিত করা) ছিল একটা সংশয়বাদী ও নাস্তিকদের সংগঠন, যারা ধর্মীয় উপকথার দাজ্জাল বা মাসিহ কোনোটাকেই তেমন গুরুত্বপূর্ণ ভাবার কথা না। আর কাপালিকদের মত শয়তানের উদ্দেশ্যে বলি বা নরবলি দেয়ারতো প্রশ্নই উঠে না। তারা সৃষ্টিকর্তায় নিয়ে তর্ক-বিতর্কের চেয়ে, জ্ঞান-বিজ্ঞান নিয়ে মাথা ঘামাতে বেশি পছন্দ করতো। ঐ সময়ে মানে ১৭৭৬ সালের দিকে  গির্জার অবিচারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে গড়ে উঠে গোপনে এই সংগঠন। ১৭ ৮৪-১৭৮৫ সালের দিকে এই তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে এর সকল নথিপত্র বাজে...

অবিভক্ত বাংলা গঠন কিংবা বাংলার সেভেন সিস্টার দখল প্রসঙ্গে

ছবি
আমার মনে হয় না আমি কখনো সেভেন সিস্টার বা অবিভক্ত বাংলা নিয়ে কোনো কথা বলেছি। অবিভক্ত বাংলা টপিকে যতবার মানুষ কথা বলতে বলেছে আমি ততবারই বলেছি যা ভেঙে গেছে দীর্ঘ সময় পর তা আর জোর করলেই জোড়া লাগে না। ভারতীয় মাধ্যমে ভারতীয় কিছু নেতা বা এদেশীয় কিছু প্রাণী যারা নিজের বাপের জায়গা চাচার থেকে উদ্ধার করতে পারে না তারা প্রায়ই প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে ফুটেজ খায় অবিভক্ত বাংলা বা সেভেন সিস্টার নিয়ে কথা বলে। যারা বঙ্গভঙ্গের বিরোধী ছিলেন বলে রবীন্দ্রনাথকে উপহাস করে তারাই আবার অবিভক্ত বাংলার কথা বলে, এটা কোন লেভেলের স্যাটায়ার আমার জানা নেই। বাস্তবে এটা কখনোই সম্ভব না। শুধু ভারতের কারণে না, বাংলাদেশের কারণেও। কিছু অতি উৎসাহী ব্লগারের মতো ভারত অনেক বড় দেশ, বিশাল বাহিনী আর পারমানবিক শক্তি এমন সব কথা বলতে যাচ্ছি না। তাদের যেমন বিশাল বাহিনী আছে বিশাল বর্ডার জুড়ে সারাদিন-রাত কুস্তিও করতে হয় আর পারমাণবিক বোমা শোপিস। তারাও জানে জাতিসংঘ না ভাঙলে কোনোদিনই এটা ব্যবহার করতে পারবে না। আমি আজ বলবো বাংলাদেশের জন্য কেন তা সম্ভব নয়। সার্বভৌমত্ব, রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ইস্যু বাদ দিলাম। সংস্কৃতিতেও দু’পাশের পার্থক্য ৭৯ বছ...

ক্যারিবিয়ান জলদস্যু জ্যাক

ছবি
জনি ডেপের সেই আইকনিক চরিত্রের সাথে নিশ্চয়ই আপনি পরিচিত। পাইরেট অফ ক্যারিবিয়ানের সেই বিখ্যাত ক্যাপ্টেন জ্যাক স্পেরো। মাতাল, হেলেদুলে চলাফেরা, উদ্ভট-উদ্ভট কৌশলে বা ভাগ্যক্রমে জিতে যাওয়া কতই না ইন্টারেস্টিং। তবে বাস্তবতা ছিল তারচেয়ে অনেক বেশি হিরোইক। জ্যাক স্পেরো চরিত্রটা গড়ে উঠেছে ইংরেজ জলদস্যু জ্যাক ওয়ার্ড (আনুমানিক, ১৫৫৩-১৬২২) এর ছায়া অবলম্বনে। যাকে আরবীয়রা চিনতো জ্যাক আসফুর (অর্থ চড়ুই, যা ইংরেজিতে Sparrow) বা ইউসুফ আসফুর নামে আর ইউরোপীয়রা চিনতো জ্যাক বার্ডি ওয়ার্ড (Jack Birdie Ward) নামে। সিনেমায় তার জাহাজের নাম `ব্ল্যাক পার্ল' হলেও বাস্তবে তার সবচেয়ে জনপ্রিয় জাহাজের নাম ছিল ‘লিটল জন’। যেটি সে আইল অফ উইট (Isle of Wight) এলাকা থেকে দখল করে এই নাম দিয়েছিলো। এই জাহাজের আগের নাম ছিলো ভাইলেট (Violet)। তাছাড়া সে ব্রিটিশ জাহাজ ‘লায়ন’স হোয়েল্প’ (Lyon's Whelp), ফরাসি জাহাজ ‘দ্যা গিফট’ (The Gift) ও ভেনিসীয় জাহাজ ‘সোদেইনা’ (Soderina)-এর মতো সেরা জাহাজগুলো হাতিয়ে নিয়েছিল। তার শত্রু হিসেবে দেশের নাম উল্লেখ করতে হবে কিন্তু তার সহযোগী যোদ্ধারা তার মতোই গুটি কয়েক। তার মধ্যে মাত্র তিনজনই সবচেয়...

আমি এবং আমার গোলক নিক্ষেপ

বর্তমান সময়ে আমি এক শক্ত মানসিকতার চরিত্র হলেও আগে আমি মানসিক আর শারীরিক দুই ভাবেই ছিলাম কিছুটা দুর্বল। প্রাথমিক লেভেলে পড়ার সময় সহপাঠীদের অনেক অত্যাচার যাদের সহ্য করতে হয়, আমি তাদেরই একজন। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়ার কালে আমিও পাল্টা দিতে শুরু করলাম আরকি। তবু আমি গড়পড়তা কিছুটা দুর্বলই ছিলাম। অন্তত আমার সহপাঠীদের তেমনই ধারণা ছিল। আমি সাধারণত খেলাধুলায় অংশ নিতাম না বলেই বোধহয় এই ধারণা তৈরি হয়েছিল। সপ্তম কি অষ্টম শ্রেণির দিকের কথা, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলছে। এমন সময় শান্ত আমাকে ধরে নিয়ে গেল। সে গোলক নিক্ষেপ দেবে, আমাকেও দিতে হবে। আমি যখন গোলক হাতে নিলাম, আমার সব সহপাঠীরা উপহাস করতে শুরু করলো। তাদের মতে, আমি আর শান্ত নাকি মেয়েরা যতটা দূরত্বে ছুড়েছে, আমরা ততটাও পারবো না। আপনার মনে হতে পারে আমি এ ব্যাপারে জ্ঞান দেবো কিংবা বলবো ওইদিন সবার চেয়ে দূরে ছুড়ে মেরে সবাইকে চুপ করিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু এটা যেহেতু বাস্তব ঘটনা, তাই এমন নাটকীয় কিছুই সেদিন ঘটেনি। একজন ছেলের জীবনের সবচেয়ে অপমানজনক ঘটনাগুলোর একটা হয়েই থেকে গেলো এটা। আমি গোলকটা মাটিতে নামিয়ে রেখে চলে আসলাম খেলার মাঝখান থেকে। শান্ত ছুড়লো...

বাংলা সাহিত্য ও শরীরতত্ত্ব

ছবি
‘আট কুঠুরি নয় দরজা’ নামটা যেকোনো পাঠকের কাছের অতি পরিচিত। কেন হবে না, এটা সমরেশ মজুমদারের মাস্টারপিস। তবে বইটা মৌলিক হলেও নামটা মোটেও মৌলিক না। নামটা তিনি নিয়েছেন লালনের ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গান থেকে। গানটা ছিল- “খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়? ধরিতে পারলে মনবেড়ি দিতাম পাখির পায়। আট কুঠুরি নয় দরজা আঁটা    মধ্যে মধ্যে ঝরকা কাটা তার উপরে সদর কোঠা আয়না-মহল তায়। কপালে কি আছে জানি না    পাখিটি আমার বশ মানিল না কোন দিন খাঁচা ছেড়ে পাখি কোন বনে পালায়। ওরে মন তুই খাঁচার আশে    খাঁচা যে তোর তৈরি কাঁচা বাঁশে কোন দিন খাঁচা পড়বে খসে লালন কেঁদে কয়।” লালনের এটা একটা আধ্যাত্মিক গান। যেখানে পাখি বলতে তিনি প্রাণ বুঝিয়েছিল তা সবারই জানা। কিন্তু আট কুঠুরি আর নয় দরজাটা কি? আসলে লালন এখানে আট কুঠুরি বলতে আমাদের শরীরের আটটা আবশ্যক অভ্যন্তরীণ অঙ্গের কথা বলেছিলেন। এগুলো হলো- মগজ (যেটাকে পরবর্তীতে তিনি সদর কোঠাও বলেছিলেন), হৃদপিন্ড, দুই ফুসফুস, পাকস্থলি, মুত্রথলি ও দুই কিডনি। এগুলোর প্রতিটিই মানুষের বেঁচে থাকতে আবশ্যক। লালন বলছে এই আট কুঠুরির ম...
FS Quote