পোস্টগুলি

বিজ্ঞান লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’ ‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশন কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

পারমাণবিক বোমার সমীকরণ

ছবি
  জানেন পুরো মানবজাতিতে ধ্বংস করতে সাধারণ আকারের কয়টা  পারমাণবিক বোমা মানে  নিউক্লিয়ার বোমা প্রয়োজন? পৃথিবীতে বর্তমানে নিউক্লিয়ার বোমা মজুদ আছে ১২,০০০ থেকে ১২,৩০০টির মতো। যার পরিমাণ বাস্তবে আরও অনেক বেশি। কারণ কোনো দেশই তাদের প্রকৃত পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা পুরোপুরি প্রকাশ করে না। বর্তমানে যে কয়টা আছে তার পরিমাণও পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলো ক্রমাগত বাড়িয়েই চলেছে। যার মধ্যে শুধু অনলাইন করাই আছে ৯,৬০০টি। অর্থাৎ লোকেশন ক্লিক করে বাটন টেপা মাত্রই ছুটে যাবে গন্তব্যে আর শুরু হবে ধ্বংসলিলা এমন ওয়ারহেড আছে ৯,৬০০টি। ইলন মাস্কের এআই গ্রক বলছে, পুরো পৃথিবী ধ্বংস করতে এতগুলো বোমার কোনো প্রয়োজনই হবে না। মাত্র ৫-১০% বোমা অর্থাৎ ৫০০-১,০০০টি বোমাই দুনিয়া থেকে মানুষকে চিরতরে মিটিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। তাহলে কী উদ্দেশ্যে রাশিয়া ৫,৪৫৯টি, আমেরিকা ৫,১৭৭টি আর চীন ৬০০টি পারমাণবিক বোমা মজুদ রেখেছে। মানে গণিতের ভাষায় রাশিয়া আর আমেরিকা এককভাবে ৫ থেকে ১০বার পৃথিবীর মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। যদিও তা বাস্তবে সম্ভব নয়। কারণ ১ম বার মানুষ বিলুপ্ত হবার পরই পৃথিবীতে ২য় বার হামলা চালানোর কেউ থাকব...

বিজ্ঞানের এক অবহেলিত বিস্ময়!

ছবি
আমার মনে হয় বিজ্ঞানের সবচেয়ে যুগান্তকারী আবিষ্কারটা ছিল ১৮১৬ সালে রবার্ট স্টার্লিংয়ের পেটেন্ট করা স্টার্লিং ইঞ্জিন (Stirling Engine)। অন্য সব যন্ত্র যেখানে তাপ উৎপাদন করে চলেছে, সেখানে এই ইঞ্জিন পারিপার্শ্বিক তাপকে শোষন করেই চাকা ঘুরায়। স্কটল্যান্ডের ধর্মযাজক ও প্রকৌশলী  রবার্ট স্টার্লিং এই যন্ত্র নকশা করার পেছনের কারণটাও ছিলো সেরা। তখনকার প্রচলিত বাষ্পীয় ইঞ্জিন প্রায়ই বিষ্ফোরণ হতো। এতে মারা পরতো মানুষ। ক্ষয়-ক্ষতিও হতো প্রচুর। এর প্রতিকার হিসেবে তিনি খুঁজতে থাকেন বিষ্ফোরণের ভয় নেই এমন কোনো ইঞ্জিন। শেষ পর্যন্ত তিনি সফল হন সে ইঞ্জিন বানাতে। হ্যা, তার এই ইঞ্জিনই সেই ইঞ্জিন যা কখনো বিষ্ফোরিত হবার ভয় নেই। ফলে টিকে থাকে অনেকদিন। তার এই ইঞ্জিন যেন তাপগতিবিদ্যার মহাবিশ্বের তাপীয় মৃত্যুর বিরুদ্ধে লাইফ সাপোর্ট। কিন্তু কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে এই প্রজেক্টটা আজীবন হয়তো বাচ্চাদের প্রজেক্ট হয়েই থেকে যাবে। আমার ভবিষ্যতে বড় পরিসরে এই প্রজেক্টটা নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে আছে।