পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশনী কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

MAGA is an illusion/আমেরিকার মেগা একটি জাতীয় ধোঁকা

ছবি
War isn't just a battle of nations— it's leaders gambling with soldiers' lives using a deck of lies. যুদ্ধ শুধু দু‘দেশের লড়াই না। সেখানে নেতাদের মিথ্যে কথার সাথে সৈনিকদের জীবনের জুয়া খেলা হয়। Real Eyes Realize Real Lies

সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা

ছবি
বহিরাগতদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশীদের সর্বশেষ মুক্তি সংগ্রামের সূচনালগ্নের শুভেচ্ছা।

শতাব্দির আর্তনাদ

ছবি
আমাদের শৈশবে ঘুম পাড়ানি ছড়ার অর্থ মোটেই আমাদের শৈশবের মতো আনন্দময় ছিল না। এটা কোনো ছেলে ভুলানো ছড়া হবার কথাই ছিল না, এটা অনাচারের বিরুদ্ধে এক কবির প্রতিবাদ। সম্ভবত ছড়াটি মানুষের মনে গেঁথে গিয়েছিল বলে যুগ-যুগ ধরে মায়েরা অর্থ না বুঝেই এ গানে ঘুম পাড়িয়ে আসছে সন্তানকে। আমার মনে হয় না অর্থ জানার পর কোনো মা তার সন্তানকে এ ছড়া শুনিয়ে ঘুম পাড়াতে পারবে।  যাই হোক, ছড়াটি ছিল এমন—  ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো, বর্গী এল দেশে বুলবুলিতে ধান খেয়েছে, খাজনা দেব কিসে? ধান ফুরল, পান ফুরল, খাজনার উপায় কি? আর ক’টা দিন সবুর কর, রসুন বুনেছি। ধনিয়া-পিয়াজ গেছে পচে, সর্ষে ক্ষেতে জল খরা-বন্যায় শেষ করিল বৎসরের ফসল। ধানের গোলা, চালের ঝুড়ি সব শুধু খালি, ছিন্ন কাপড় জড়িয়ে গায়ে শত শত তালি। ধানের গাছ, বিলের মাছ যাই কিছু ছিল নদীর টানে বাঁধটি ভেঙ্গে সবই ভেসে গেল। এ বারেতে পাঁচ গাঁয়েতে দিয়েছি আলুর সার আর কটা দিন সবুর করো মশাই জমিদার। এবার ব্যাখ্যা করি— “ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো বর্গী এল দেশে।” বর্গী ছিল মারাঠি দস্যুদল। মগদের মত তারাও কোথাও আক্রমণ চালালে মানুষ মেরে, লুটপাট করে সারা পাড়া বিরাণ করে দিতো। সেখানে কথক ...

প্রজেক্ট: বাইনারি রোধবক্স

ছবি
সরল সার্কিট চিত্র: এটাই একটি রোধবক্সের সার্কিট রোধবক্সের বিবরণ: ১.৫ ভোল্ট বা তার নিচের বিভবে সরাসরি যুক্ত করলেও নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে। মানে দুই পাশে একটা পেন্সিল ব্যাটারি ধরে রাখলেও নষ্ট হবে না। ১. সুইচ ১১টা- সর্বনিম্ন রোধের রকার সুইচ (২০০-৩৫০ টাকা) দারাজে আরও কম দেখাচ্ছে। ২. বাইন্ডিং পোস্ট ২টি (৩০-৬০ টাকার ভেতরে):  দারাজে বেশি দেখাচ্ছে। মেকার্স বিডির দামও বেশি। এমনিতে আমার কাছে আছে। ঠিক আছে নাকি চ্যাক করা দরকার। ৩. রোধ ১০টা-১% বা তার কম   টলারেন্স   (পটুয়াটুলি/সাইন্স ল্যাব ১০০ টাকার মধ্যে): ৫ Watt- 1Ω   (১% টলারেন্স  সিরামিক  পাওয়া যায়) , 2Ω (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়), ২ Watt- 4Ω  (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়), ১ Watt- 8Ω   (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়) , 16Ω   (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়), ০.৫ Watt- 32Ω (৩০+২), 64Ω (৬২+২), 128Ω (১২০+৮), 256Ω (২৪০+১৬), 512Ω (৫০০+১২) অর্থাৎ সরাসরি  না পাওয়া গেলে,  ১Ω-১ [ সিরামিক,  ৫ ওয়াট] ২ Ω-৩  [ সিরামিক,  ৫ ওয়াট] ৪Ω-১ [ Metal Film, ২ ওয়াট]  ৮Ω-২...

আমাদের স্কুল-কলেজের ল্যাবের অধিকাংশ যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকে কেন?

ছবি
ল্যাবে ঢুকলেই দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ যন্ত্র নিখুঁত মান দেয় না তো ঐ যন্ত্র একেবারেই নষ্ট। কখনো ভেবে দেখেছেন এমন হয় কেন? কারণ আর কিছুই না। আমাদের শিক্ষার্থী বা প্রশিক্ষক কেউই খেয়াল রাখে না, একটা যন্ত্রের সহ্য ক্ষমতা কতটা। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটা যন্ত্রাংশের একটা সহনীয় ক্ষমতা থাকে। রোধবক্স রোধবক্সের কথাই ধরুন। আমাদের ল্যাবে ১Ω-১০০০Ω পর্যন্ত মানের যে রোধবক্সগুলো থাকে সেগুলো সাধারণত ৫ ওয়াটের হয়ে থাকে। একটা রোধবক্সের প্রত্যেকটা রোধ বা এর অভ্যন্তরীণ রোধ সমান ভোল্টেজ সহ্য করতে পারে না। যত কম রোধ তা সাধারণত তত কম ভোল্টেজ সহ্য করতে পারে। আপনি সরাসরি ১২ ভোল্টের ব্যাটারির দুই প্রান্তে লাগিয়ে দিয়েও ৩০Ω এর চেয়ে বড় যেকোনো মানের রোধ পরিক্ষা করতে পারবেন সহজেই। কিন্তু সরাসরি ব্যাটারির দুই প্রান্ত কানেক্ট করে যখন আপনি ২৮.৮Ω এর চেয়ে কম মানের রোধ তুলবেন তখনই তা গরম হতে শুরু করবে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে নষ্ট হয়ে যাবে। পরে শর্ট সার্কিট হবে, মানে রোধবক্সের ঐ রোধটা আর কাজ করবে না। এখন তাহলে প্রশ্ন হলো, যদি কাজ করা না যায় তাহলে এই রোধগুলো কেন দেয়া হয়? উত্তর হলো, কম ভোল্টে ব্যবহার করার জন্য। বিশেষ করে রোধবক্...

আমার ডিজাইন করা হাইব্রিড শ্রেণী বর্তনী

ছবি
শ্রেণিতেও যেন প্রতিটা বাল্ব আলাদাভাবে জ্বালানো যায় সেজন্য এই সার্কিটটা ডিজাইন করেছিলাম অনেকদিন আছে। সম্ভবত ৯ম শ্রেণীতে থাকার সময়। সার্কিটটা সরল এবং মৌলিক। উচ্চ ভোল্টেজ সহ্য করতেও এই সার্কিট সেরা। এই সার্কিট দিয়ে যা যা করা যাবে রোধবক্স জাতীয় যন্ত্রপাতি বানানো, উচ্চ ভোল্টেজে নষ্ট হয় এমন যন্ত্রের নিরাপত্তা দেয়া, কোন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়েছে তা সহজেই নিশ্চিত করা। সার্কিটের থ্রিডি মডেল দেখে আসতে পারেন। মানে স্যামুলেশন করতে পারেন এই ‍লিংকে ক্লিক করে,  https://www.tinkercad.com/things/jS1AUzemw6G-hybrid-series-circuit-?sharecode=G3_6xXAW9vp_ufCDPLc3hW_4_A4oVvZc3ScE3Eo_62M

ইহুদী-খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ ইবরাহিম (আ) এর প্রথম পুত্র সম্পর্কে কী বলে?

ছবি
খ্রিস্টান ও ইহুদিরা দাবী করে আব্রাম/ইব্রাহিমের প্রথম পুত্র যাকে কুরবানী করা হয় তার নাম, আইজ্যাক/ইসহাক ছিলো। কিন্তু ইহুদিদের তোরাহ/তাওরাতের এবং বাইবেলের ওল্ড টেস্টেমেন্ট এর জেনেসিস (যার বাংলা আদিপুস্তক) খণ্ডের অধ্যায় ১৬তে সরাসরি হাগার/হাজর (যাকে বাঙালিরা হাজেরা নামে চিনে) এর ঘরে ইশ্মায়েল/ইসমাইলের জন্মের কথা বলা আছে। যে তার প্রথম সন্তান। স্পষ্ট কথা। যেমনটা আমরা মুসলিমরা বিশ্বাস করি। ইসমাইলের জন্মের সময় ইব্রাহিম (আ.) এর বয়স ৮৬ বছর, আর ইসহাকের জন্মের সময় তার বয়স ১০০ এরও বেশি। (অধ্যায় ১৭তে বলা আছে, পরের স্ক্রিনশর্টে) ইসমাইল (আ.) যে ১২ জন মহান নেতার পিতা হবে আর তার বংশধরদের থেকে যে একটা মহান জাতির সৃষ্টি হবে তা তারা কিছুতেই মানতে চায় না। কারণ ঐ জাতিটা মুসলিম। ইসমাইল (আ.) এর বংশে এই একজনই নবী এসেছে। এবং তিনিই শেষ নবী, হযরত মোহাম্মদ (সা.)। আর কোনো নবীই আসেনি।  তাদের ব্যাখ্যা মতে, ইসমাইলের পুত্রদের মধ্যে সেই ১২ নেতা হলেন নবায়োৎ, কেদর, অদবিয়েল,মিবসম, মিশ্মা, দূমা, মসা, হদদ, তেমা, যিটূর, নাফীশ এবং কেদমা। ঐতিহাসিকভাবে কুরাঈশরা কেদরের বংশধর। অর্থাৎ হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর পূর্বপুরুষ কেদর। তার...

ইসরায়েল ও আমেরিকা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ

ছবি
 আমেরিকা সাধারণত প্রকাশ্যেই ইসরায়েলকে বাঁচায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো কেন? যারা জানে তারা উপহাস করে বলে চোরে চোরে মাসতুত ভাই। আসলে ইসরায়েল যেভাবে সেই ভূখন্ডের বাসিন্দা ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা-উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছিল, একই কাজ রেড ইন্ডিয়ানদের সাথে করেছিল আমেরিকানরাও। এ বিষয়ে যমুনার এই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন। আমি আর কষ্ট করে তথ্য সংগ্রহ করে লেখলাম না।

অপরাধী ও কাপুরুষদের বিরুদ্ধে ইরানের হুঁশিয়ারি

ইরানের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবল ফজল শেকারচি প্রেসব্রিফিংয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “মুসলিম সরকারদের নরমসুরে সতর্ক করছি, কাপুরুষতা বাদ দিয়ে অপরাধী যুক্তরাষ্ট্র আর অসভ্য ইহুদী গোষ্ঠীর মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নাও। নয়তো যেমন বিস্ফোরণ ও যুদ্ধের ঘটনা তাদের সাথে ঘটছে, একই ঘটনা তোমাদের সাথেও ঘটবে। আর তোমরা যদি ব্যারল প্রতি ২০০ ডলারের ওপর তেল কিনতে পারো তাহলে খেলা চালিয়ে যাও।”

কে এই কান্ট?

ছবি
কিছু মানুষ গণতন্ত্র  নেই বলে ইরানকে অশিক্ষিত বর্বর দাবি করলে সোশ্যাল মিডিয়াতেই উঠে আসে ইরানি রাজনীতিবিদদের শিক্ষাগত যোগ্যতা। যেখানে আলী আরদাশির লারিজানি যিনি বর্তমানে ইরানের জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ এবং ইসলামিক রেভুলেশনারি গার্ডের প্রাক্তন কর্মকর্তা ছিলেন তার ২০০৪ সালে প্রকাশিত তিনটা বইয়ের প্রত্যেকটার শিরোনামেই উঠে আসে কান্টের নাম। বই তিনটি ছিল The Mathematical Method in Kant ’s Philosophy, Metaphysics and the Exact Sciences in Kant ’s Philosophy এবং Intuition and the Synthetic A Priori Judgments in Kant ’s Philosophy এখন প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক এই কান্টটা কে? পুরো নাম ইমানুয়েল কান্ট। ১৮ শতকের বিরাট দার্শনিক (তাছাড়া পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের তার অবদান ছিল)। তার দর্শনে এবং তার আগের দর্শনে আকাশ-পাতাল তফাৎ। এই জার্মান দার্শনিকই আধুনিক দর্শনের ভিত্তি গড়ে দিয়ে গেছেন। জন্ম নিয়েছে আন্তর্জাতিক আইন ও তাতে মানবাধিকারের সংজ্ঞা। (আগেই বলে রাখি তার এই তত্ত্বগুলো একটু জটিল, শুনতে অনেকটা প্যারাডক্সের মতো।) তার বিখ্যাত কিছু দর্শন ১. নীতিবিদ্যা: তিনি নীতির একটা অসাধারণ সংজ্ঞা দেন। সা...

ভবিষতের বাতাস

ছবি
১০ মিটার জায়গাও পেলাম না যেটুকু ২০২৬ সালে এসে স্বাস্থ্যকর দেখাচ্ছে। চট্টগ্রামের কিছু অংশ শুধু বায়ুর দূষণমাত্রা চলনসই। স্বাস্থ্যকর না, তবে শ্বাস নেয়ার উপযুক্ত। মানে এখনও পুরোপুরি অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেনি। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা, যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা কলকারখানা, এমনকি পরিষ্কারের নামে খোলা পরিবেশে বিশাল এলাকাজুড়ে আবর্জনা পোড়ানো, রাস্তাভরা ধুমপায়ীদের ধুমপান সবকিছুই একটু একটু বিষ ঢালছে আপনার-আমার শ্বাসে। আপনি বলবেন আমি আর কি এমন করি। আসলে আপনার-আমার অতি সামান্য কাজগুলোই হুমকি হয়ে উঠছে আপনার ও আপনার আপনজনদের। ইদানিং এই স্যাঁতসেঁতে সমাজে শেওলার মতোই জন্ম নিচ্ছে ডায়াগনিস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল তবু বেড খালি নেই। রোগী নিয়ে হিমসিম খাচ্ছে হাসপাতাল। রোগী পচছে করিডোরে। ঠিক আবর্জনাগুলোর মতোই। রোগ নিরাময়ের কোনো লক্ষণই নেই? কেন নেই? জবাব আপনি-আমিই। যেই খাবার খাচ্ছি তাতে বিষ, যেই বাতাস নিচ্ছি তাতে বিষ, যে পানি খাচ্ছি তাতেও পাইপ আর টাংকির মাইক্রোপ্লাস্টিক এমনকি যে ঔষধ খাচ্ছি তাতেও বিষ। এবার বলুন, কোন দুঃখে আপনি-আমি বা আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম সুস্থ্য...

পারমাণবিক বোমার সমীকরণ

ছবি
  জানেন পুরো মানবজাতিতে ধ্বংস করতে সাধারণ আকারের কয়টা  পারমাণবিক বোমা মানে  নিউক্লিয়ার বোমা প্রয়োজন? পৃথিবীতে বর্তমানে নিউক্লিয়ার বোমা মজুদ আছে ১২,০০০ থেকে ১২,৩০০টির মতো। যার পরিমাণ বাস্তবে আরও অনেক বেশি। কারণ কোনো দেশই তাদের প্রকৃত পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা পুরোপুরি প্রকাশ করে না। বর্তমানে যে কয়টা আছে তার পরিমাণও পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলো ক্রমাগত বাড়িয়েই চলেছে। যার মধ্যে শুধু অনলাইন করাই আছে ৯,৬০০টি। অর্থাৎ লোকেশন ক্লিক করে বাটন টেপা মাত্রই ছুটে যাবে গন্তব্যে আর শুরু হবে ধ্বংসলিলা এমন ওয়ারহেড আছে ৯,৬০০টি। ইলন মাস্কের এআই গ্রক বলছে, পুরো পৃথিবী ধ্বংস করতে এতগুলো বোমার কোনো প্রয়োজনই হবে না। মাত্র ৫-১০% বোমা অর্থাৎ ৫০০-১,০০০টি বোমাই দুনিয়া থেকে মানুষকে চিরতরে মিটিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। তাহলে কী উদ্দেশ্যে রাশিয়া ৫,৪৫৯টি, আমেরিকা ৫,১৭৭টি আর চীন ৬০০টি পারমাণবিক বোমা মজুদ রেখেছে। মানে গণিতের ভাষায় রাশিয়া আর আমেরিকা এককভাবে ৫ থেকে ১০বার পৃথিবীর মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। যদিও তা বাস্তবে সম্ভব নয়। কারণ ১ম বার মানুষ বিলুপ্ত হবার পরই পৃথিবীতে ২য় বার হামলা চালানোর কেউ থাকব...

এই যুদ্ধ কোনদিকে যাচ্ছে?

ছবি
 

পরমাণু আইন ভেঙে কি শুরু হতে যাচ্ছে পরমাণবিক যুদ্ধ?

ছবি
আমেরিকার নাভাডার এরিয়া ৫১ এর আশেপাশের অঞ্চল কেঁপে উঠছে রহস্যময় ভূ-কম্পনে। রহস্যময় ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে ইরানেও। তবে কি প্রথম ভয়ংকরতম পারমাণবিক যুদ্ধের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব? ভূঃঅভ্যন্তরীণ পারমাণবিক পরীক্ষার ফলেই এমন কম্পন অনুভূত হচ্ছে বলে দাবী পর্যালোচকদের। এদিকে একই সময়ে আমেরিকায় চলছে সরকার পতনের আন্দোলন। তাদের দাবি আগে ট্রাম্পকে তার নিজের ছেলেকে যুদ্ধে পাঠাতে হবে। মোড় ঘুরে যাচ্ছে যুদ্ধের। তাই হয়তো পরমাণু অস্ত্রই হতে যাচ্ছে ট্রাম্পের ট্রাম্প কার্ড। ইরান যে আমেরিকার এতদিনের দম্ভ এভাবে চুর্ণবিচুর্ণ করে দিবে তা জানতে বোধহয় ট্রাম্প এই মৌচাকে ঢিল ছোড়ার দুঃসাহস দেখাতো না। (কার্টুন দুটি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ কতদিন চলবে?

ছবি
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে যারা ইতিমধ্যে হাপিয়ে উঠেছেন তাদের বলতে চাই- আপনাদের জন্য সমবেদনা। এ যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চলবে। এর দুটো কারণ। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের যে যুদ্ধবিরতির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিপক্ষকে শক্ত হবার সুযোগ দিয়েছিল তা আর ইরান পুনরাবৃত্তি করবে না। দ্বিতীয় কারণটা হলো, ইরান তার সন্তান আর অভিভাবক শূন্য হবার প্রতিশোধ নিবেই। তারা শিয়া, কিসাসে বিশ্বাসী। আমেরিকা পিছাতে পারবে না কারণ পিছু হাটলে তার বিশ্বব্যাপি আগের মাতব্বরী চলবে না, আর ইরান পিছু হাটলে তা হবে জাতির সাথে বেঈমানি। এখনও আমেরিকাও তাদের পুরো শক্তি ব্যবহার করেনি, ইরানও করেনি। তাদের তুরুপের তাস এখনও তাদের হাতেই আছে। মানে তারা এখনও মূল খেলা শুরুই করেনি। আমেরিকা এখনও বোম্বার বা নিউক্লিয়ার অস্ত্র ব্যবহার শুরু করেনি। ইরানও তাদের আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল ব্যবহার না করে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আশেপাশের মার্কিন ঘাটিগুলোতেই শুধু হামলা চালাচ্ছে। আগে মাঠ পরিষ্কার করছে। মূল খেলা এখনও বাকি। যুদ্ধে না গিয়েও সরাসরি ক্ষতির সম্মুখীন হতে চলেছে উন্নয়নশীল দেশগুলো। যারা আমদানি-রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল। মানে আমাদের বাংলাদেশও বিপদে আছে। মিসাইলের বিপদ না থাকলে...

এআই আর আমার মেঘদূত বিষয়ক আলোচনা

ছবি
  (রবীন্দ্রভক্তদের কাছে শুরুতেই ক্ষমা চাচ্ছি। তাকে ছোট করা এখানে উদ্দেশ্য না। তিনি বাংলা সাহিত্যের মহাকাব্য বাদে প্রতিটি ক্ষেত্রেই অবদান রেখেছিলেন যা বাংলা সাহিত্যে বিরল।) আমি:  মেঘদূতের মত মন্দাক্রান্ত ছন্দ কি আধুনিক কোনো বাংলা কবি ব্যবহার করেছে? এআই: আধুনিক বাংলা কবিদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বুদ্ধদেব বসু মন্দাক্রান্তা ছন্দের সবচেয়ে সার্থক এবং নিপুণ ব্যবহার করেছেন। তবে মনে রাখা ভালো, সংস্কৃতের 'অক্ষরবৃত্ত' (মাত্রার ওজন অনুযায়ী) আর বাংলার 'অক্ষরবৃত্ত' (অক্ষর গণনা অনুযায়ী) কিছুটা আলাদা। বাঙালি কবিরা মন্দাক্রান্তার সেই ৪+৬+৭ এর রাজকীয় ঢঙটিকে বাংলায় অভিযোজিত করেছেন। এখানে প্রধান কয়েকজনের উদাহরণ দেওয়া হলো: ১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সবচেয়ে সফল প্রয়োগকারী) রবীন্দ্রনাথ কালিদাসের 'মেঘদূত' এবং মন্দাক্রান্তা ছন্দের প্রেমে পাগল ছিলেন। তিনি সরাসরি মন্দাক্রান্তার ১৭ অক্ষরের কাঠামো ব্যবহার করে বেশ কিছু কবিতা লিখেছেন। তাঁর 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের 'মেঘদূত' কবিতাটি এর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ: "কোথা হতে আচম্বিতে / এল আজি এ শ্রাবণ-দিবসে / সহসা মেঘের ঘনঘটা। / গ...
FS Quote