পোস্টগুলি

পরিসংখ্যান লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর কাব্যগ্রন্থ ‘আগুনের গান ও অন্যান্য’ আর ‘গোরস্তানের দারোয়ান’ নিয়ে কোনো প্রকাশনী কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

জিডিপি বৃদ্ধি মানেই কী উন্নতি?

ছবি
জিডিপি বাড়া নিয়ে সরকার হইচই করে। সব দেশের সরকারই করে। কিন্তু এটা আসলে একটা প্রোপাগান্ডা। হ্যা, ঠিকই শুনেছেন, Gross Domestic Product (GDP) বাড়ছে বলে প্রতিটা দেশের সরকার রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা চালায়। আবার বড় দেশগুলোও আমাদের জিডিপি বেশি মানে আমরা অনেক উন্নত এমন একটা ধারণা জনমনে গেথে দেয়।  আসলে Gross Domestic Product (GDP) এর মানে হলো, ঐ দেশের সীমানার ভেতরে বছরে কত টাকার প্রোডাক্ট তৈরি হলো। নিশ্চয়ই ভাবছেন তাহলে এই প্রোডাক্ট উৎপাদন বাড়লে ক্ষতি কী? এটার বৃদ্ধিই তো উন্নতি। বিষয়টা আসলে এত সহজ না। আসলে ডলারের মানটা বাড়লেই যে উৎপাদন বেড়েছে তা কিন্তু নয়। হতে পারে, মূদ্রাস্ফীতির কারণে বা জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সংখ্যাটা বেড়েছে কিন্তু আসল উৎপাদন ক্ষমতা বাড়েনি। মাথাপিছু আয় বাড়লে? মাথাপিছু আয় হলো, জনসংখ্যা দিয়ে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)-কে দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে যা আসে। মানে গড়ে প্রতিটা নাগরিক কত টাকার পণ্য উৎপাদন করছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যাটাতো গেল, কিন্তু মূল্যস্ফীতি এখনও রয়ে গেছে। চলুন, আজ হিসাব করবো, সত্যিই একটা দেশের কতটা উন্নতি হয়েছে। আমি এ বিষয়ে একটা সূত্র ধার করানোর চেষ্টা করছি। তার...

আসলেই কি ভালো ছিল অবিভক্ত পাকিস্তান?

ছবি
ইদানিং প্রায়ই শোনা যায় পাকিস্তান থাকলেই ভালো হতো। অনেক দেশের ভিসা থাকতো, সুন্দরী বউ থাকতো কিংবা বিশ্বকাপ থাকতো এমন অনেক রকম উদ্ভট চিন্তাভাবনা করতে দেখছি সবাইকে। সেদিনের পাকিস্তান আসলে কেমন ছিল চলুন তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করি। চিন্তা করবেন না, মুক্তিযুদ্ধের সময়ের প্রচারিত তথ্য দিবো না, আপনাদের বায়াস মনে হতে পারে। তার আগের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করি। পুরো চিত্রটাই বাংলাদেশ হবার আগ পর্যন্ত। বিশ্বযুদ্ধের পর কলোনি চালানোর মতো ক্ষমতা যখন আর ব্রিটিশদের ছিল না, শাসনের অবসান ঘটিয়ে একে একে সব দেশকে স্বায়ত্বশাসন দিয়ে কেটে পড়তে শুরু করলো ব্রিটেন। ১৯৩৭ সালেই ব্রহ্মদেশ/বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) ভারতীয় ব্যবসায়ীদের কারণে বিরক্ত হয়ে নিজেদের ভারতবর্ষ থেকে আলাদা জাতি ঘোষণা করে। তারা ইংরেজদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার চেয়ে ভারতীয়দের (অবশ্যই ভেতরে পাকিস্তানীরাও আছে, কারণ তখন পাকিস্তান বলে আলাদা কিছু ছিল না) থেকে রক্ষা পাওয়া জরুরী মনে করেছিল। ফলে ব্রিটিশদের অধীনে থেকেও ভারতীয় কলোনি ও বার্মা কলোনি আলাদা হয়ে যায়। মাশুলও দিতে হয়েছে, ১৯৪৭ সালে যখন দেশভাগ হয় তখন বার্মার স্বাধীনতা মিলেনি। সে স্বাধীনতা পেয়েছিল আরো এক বছর...

বাংলাদেশের সেনা অভ্যুত্থানের তালিকা

ছবি
আমাদের বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় পাতায় রক্ত। সেনা বাহিনী বানানো হয়েছিল দেশকে নিরাপত্তা দিতে কিন্তু বাংলাদেশের শিকড়ে রাজনীতি এমনভাবে ছড়িয়ে পরেছে যে সেনারাও কখনো একদল একমত হতে পারেনি। চিন্তা করে দেখুন ২৪ এর গণ অভ্যুত্থানের কথাই । একদল সেনা ছাত্রদের গুলি চালিয়েছে, আরেকদল শেখ হাসিনাকে পালাতে সাহায্য করেছে আরেকদল ভেঙেছে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি। যে দল জিততে চলে সে গ্রুপ তখন সক্রিয় হয়; এটা শুধু সেনা না সাংবাদিক, নাগরিক সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সবচেয়ে ভয়ংকর পরিস্থিতি হয় যখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পরে, তখন দু’পক্ষই সমানে সমান হয়ে মাঠে নেমে পড়ে। কাল যদি বাংলাদেশে কোনো দেশ অগ্রাসন চালায় একদল অগ্রাসীদের পক্ষেও চলে যাবে, তাদের মত হবে এক দুর্নীতি, অনিয়ম, ভেজালে জর্জরিত দেশ পরিশোধনের জন্য এটা প্রয়োজন ছিল।  তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে হয়ে গেছে ছোট-বড় ৩০টি সফল ও ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টা। তার মধ্যে পাঁচটা বড় অভ্যুত্থান সরাসরি বাংলাদেশের চিত্রই বদলে দিয়েছিল। মুজিব থেকে এরশাদ এই টাল-মাটাল সময়টাতেই একের পর এক হয়েছিল সবগুলোই অভ্যুত্থান। তালিকাটা দেখুন- ১৫ আগস্ট ১৯৭৫: সেনা অভ্যুত...

একটা ভয়

ছবি
 আমি ভয় পাই। স্রষ্টাকেও পাই, মানুষকেও পাই। কারণ আমি মানুষকে বুঝতে পারি না। উদাহরণ হিসেবে আমার অপ্রকাশিত ‘গোরস্তানের দারোয়ান’ বইয়ের এই কবিতার কথাই ধরতে পারেন। গড কমপ্লেক্সের মিথ্যে স্বপ্নের পথে মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে, নিজেকে স্রষ্টা করে, নিজের স্বর্গ নিজেই বানাচ্ছে। বলা হচ্ছে কিছুই করতে হবে না তোমাদের, কাজ রোবট আর এআই করবে আমাদের। মানুষ সময় হারাচ্ছে, কাজ হারাচ্ছে কিন্তু হচ্ছে না হুশ। সবাই বেহুশ।  যখন ধনকুবেরদের শ্রমিক দরকার হবে না, তখন আমরা হবো শুধু অপ্রয়োজনীয় আবর্জনা। যদি তাদের সব সমস্যা সমাধানের থাকে প্রেরণা সমাধান এখন থেকেই তবে কেন শুরু করছে না?? কিছু মানুষ ধরে নেয় এসব নিছক কল্পনা। আরে এআইতো আমরা ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারছি। তারা এটা আমাদের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচে বানিয়েছে এমনটাই যদি আপনি ভেবে থাকেন তবে বলবো স্বপ্ন থেকে জেগে উঠুক। এআই আসার পর বিপুল পরিমাণ কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। এখন যন্ত্র কায়িক শ্রম ও মেধাশ্রম দুই কাজেই দক্ষ হয়ে উঠছে। তাই পৃথিবীর এখন আর এত মানুষের প্রয়োজন হবে না। যাদের টাকা আছে শুধু তারাই বেঁচে থাকবে, মানে পুঁজিবাদী বা ধনকুবেররা।   ইয়াহু ইতমধ্যে খব...

বাংলা মহাকাব্য

ছবি
মাইকেল মধুসূদন দত্ত যখন বাংলায় প্রথম মহাকাব্য রচনা করেন তারপর থেকে কবিদের একটা প্রতিযোগিতা শুরু হয়।  কে মহাকাব্য লিখতে পারে, এটা এক বড় যোগ্যতা? এ উন্মাদনা পরবর্তী ৬ দশকের বেশি সময় ধরে চলেছিল। রবীন্দ্রনাথও যে একসময় মহাকাব্য লেখার চিন্তা করেছিলেন সে ব্যাপারে তো সে তার পঞ্চভূতে বলেছেনই। অনেকেই শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত সফলতা পেয়েছিলো খুব কম মহাকাব্যই। আমার অনুসন্ধান মতে মাত্র ১২টি। আর মহাকবি মাত্র ৯ জন। তারা হলেন- মাইকেল মধুসূদন দত্ত,  হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়,  হরিমোহন মুখোপাধ্যায়,  নবীনচন্দ্র সেন, মানকুমারী বসু, মোজাম্মেল হক, কায়কোবাদ,  ইসমাইল হোসেন সিরাজী ও যোগীন্দ্রনাথ বসু। বাংলা সাহিত্যের মহাকাব্যের টাইমলাইনকে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলা যায়।  → পৌরাণিক মহাকাব্যের যুগ ১৯ শতকের শেষ ৪ দশক ( ১৮৬১-১৯০০ সাল) ১. মেঘনাদবধ কাব্য-মাইকেল মধুসূদন দত্ত ২. বৃত্রসংহার ( দুই খণ্ড )-হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ৩. মুকুট উদ্ধার -হরিমোহন মুখোপাধ্যায় ৪. বীরকুমার বধ কাব্য - মানকুমারী বসু   ৫ . রৈবতক-নবীনচন্দ্র সেন ৬. কুরুক্ষেত্র-নবীনচন্দ্র সেন   ৭. প্রভা...

অবিভক্ত বাংলা গঠন কিংবা বাংলার সেভেন সিস্টার দখল প্রসঙ্গে

ছবি
আমার মনে হয় না আমি কখনো সেভেন সিস্টার বা অবিভক্ত বাংলা নিয়ে কোনো কথা বলেছি। অবিভক্ত বাংলা টপিকে যতবার মানুষ কথা বলতে বলেছে আমি ততবারই বলেছি যা ভেঙে গেছে দীর্ঘ সময় পর তা আর জোর করলেই জোড়া লাগে না। ভারতীয় মাধ্যমে ভারতীয় কিছু নেতা বা এদেশীয় কিছু প্রাণী যারা নিজের বাপের জায়গা চাচার থেকে উদ্ধার করতে পারে না তারা প্রায়ই প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে ফুটেজ খায় অবিভক্ত বাংলা বা সেভেন সিস্টার নিয়ে কথা বলে। যারা বঙ্গভঙ্গের বিরোধী ছিলেন বলে রবীন্দ্রনাথকে উপহাস করে তারাই আবার অবিভক্ত বাংলার কথা বলে, এটা কোন লেভেলের স্যাটায়ার আমার জানা নেই। বাস্তবে এটা কখনোই সম্ভব না। শুধু ভারতের কারণে না, বাংলাদেশের কারণেও। কিছু অতি উৎসাহী ব্লগারের মতো ভারত অনেক বড় দেশ, বিশাল বাহিনী আর পারমানবিক শক্তি এমন সব কথা বলতে যাচ্ছি না। তাদের যেমন বিশাল বাহিনী আছে বিশাল বর্ডার জুড়ে সারাদিন-রাত কুস্তিও করতে হয় আর পারমাণবিক বোমা শোপিস। তারাও জানে জাতিসংঘ না ভাঙলে কোনোদিনই এটা ব্যবহার করতে পারবে না। আমি আজ বলবো বাংলাদেশের জন্য কেন তা সম্ভব নয়। সার্বভৌমত্ব, রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ইস্যু বাদ দিলাম। সংস্কৃতিতেও দু’পাশের পার্থক্য ৭৯ বছ...

বিশ্বপরিসংখ্যানে বাংলাদেশ

ছবি
  জনসংখ্যার ভিত্তিতে বাংলাদেশ কোথায়? ক্রমিক সংখ্যা দেশ জনসংখ্যা (আনুমান) 1 India (ভারত) ~1.47 Billion (১৪৭০ মিলিয়ন) ( Worldometer ) 2 China (চীন) ~1.41 Billion (১৪১০ মিলিয়ন) ( Worldometer ) 3 United States (যুক্তরাষ্ট্র) ~349 Million (৩৪৯ মিলিয়ন) ( Worldometer ) 4 Indonesia (ইন্দোনেশিয়া) ~288 Million (২৮৮ মিলিয়ন) ( Worldometer ) 5 Pakistan (পাকিস্তান) ~259 Million (২৫৯ মিলিয়ন) ( Worldometer ) 6 Nigeria (নাইজেরিয়া) ~242 Million (২৪২ মিলিয়ন) ( Worldometer ) 7 Brazil (ব্রাজিল) ~214 Million (২১৪ মিলিয়ন) ( Worldometer ) 8 Bangladesh (বাংলাদেশ) ~178 Million (১৭৮ মিলিয়ন) ( Worldometer ) 9 Russia (রাশিয়া) ~143 Million (১৪৩ মিলিয়ন) ( Worldometer ) 10 Ethiopia (ইথিওপিয়া) ~139 Million (১৩৯ মিলিয়ন) ( Worldometer ) ঘনবসতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ কোথায়? ক্রমিক সংখ্যা দেশ / এলাকা জনসংখ্যা ঘনত্ব (প্রায়) 1 Monaco ~26,145 জন/কিমি² ( The Facts Institute ) 2 Macao SAR (China) ~22,309 জন/কিমি² ( The Facts Institute ) 3 Singapore ~8,476 জন/কিমি² ( Data Insider ) 4 Hong Kong SAR (China) ~6,772 জন/কিমি² ( Th...
FS Quote