পোস্টগুলি

ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’ ‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশন কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

বিচার পাবো কোন ব্যবস্থায়?

ছবি
কেউ বলে দেশে গণভোট হলে সব উল্টে যাবে, কেউ বলে ইসলামী শাসন কায়েম করলেই সব পাল্টে যাবে। অথচ দেশ ঠিক করতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বিচার নিশ্চিত করা। একদল বলবে গণভোট হলেই বিচার নিশ্চিত হবে আরেক দল বলবে ইসলামী শাসন কায়েম করলেই সব ঠিক। কিন্তু কি হবে তা আপনিও জানেন আমিও জানি। এগুলো অজুহাত, সমাধান না। মানুষ না বদলালে কিছুই বদলাবে না। আর সে জন্য প্রয়োজন ভয়। বিচারের ভয়। শুধু যারা উকিলের পেছনে টাকা ঢালতে পারবে তারাই না, যারা ভিক্ষে করে খায় ১ পয়সা খরচ করারও ক্ষমতা নেই তারাও নাগরিক হিসেবে ন্যায় বিচার পাবার অধিকার রাখে। জননিরাপত্তাকে উকিলদের সেন্ডিকেটের শিকার হতে দিয়েন না। বছরের পর বছর ধরে বিচারের নাটক না, উপযুক্ত প্রমাণ থাকলে তাৎক্ষণিক বিচার করুন। নয়তো চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই, খুন-ধর্ষণ, চাদাবাজি-ঘুষ কিছুই থামবে না। সংসদে বসে আইনের নিত্যনতুন ধারা জুড়ে দিলেও না। এ মুহুর্তে দেশের বিচার বিভাগকে বিচারের আওতায় আনাই সবচেয়ে বেশি জরুরী হয়ে পরেছে। প্রত্যেকটা মানুষের ন্যায় বিচার নিশ্চিত করুন, দেশ বদলে যাবে। এদেশেতো এখন হাদিরাও বিচার পায় না, সাধারণ মানুষের বিচারতো বিলাসিতা।

বিশ্বের জন্য রেনেসাঁ গর্বের নাকি দুঃখের?

ছবি
ইউরোপ যখন সভ্যতার মুখ দেখেনি তখন সভ্যতার চূড়ায় ছিল সিন্ধু, মিসোপটমিয়া, ইনকা আর কাঁচা সোনার দেশ আফ্রিকা। তারপর শুরু হলো রেনেসাঁ, শিল্পবিপ্লবের সাথে সাথেই নতুন করে জন্ম নিলো নৈতিকতার সংজ্ঞা। ভেঙে পড়লো ধার্মিক মতাদর্শ। ইউরোপ দখল করতে শুরু করলো একে একে সব দেশ। ইউরোপিয় সাম্রাজ্যগুলো প্রতিযোগিতা করে লুট করতে থাকলো দেশ। মারতে লাগলো মানুষ। যুদ্ধবন্দিদের বিক্রি করতে লাগলো সদ্য জন্ম নেয়া শিল্পকারখানার মালিকদের কাছে। কৃতদাস প্রথা তার সর্বকালের মাত্রা ছাড়িয়ে গেল। আরো দাস চাই। কলোম্বাসরা বেড়িয়ে পড়লো, আরো দাস জিম্মি করতে। ধুলিতে মিশে গেল জ্ঞান-বিজ্ঞানের শিখরে থাকা বাগদাদ-দামেস্ক। জ্ঞান-বিজ্ঞান পুরোপুরি হয়ে গেলো রোমানদের সম্পদ। অন্যান্য সভ্যতাকে করে দেয়া হলো অন্ধ। দখলদারিত্বে আরেক ধাপ এগিয়ে এল ইংরেজ। ভারতবর্ষ লুট হলো, আফ্রিকার স্বর্ণ গায়েব হতে থাকলো, আমেরিকা থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিলো রেড ইন্ডিয়ারদের (এখন আমেরিকার যে সাদা চামড়ার মানুষ দেখেন তারা আসলে ইউরোপীয়দেরই বংশধর, আসল বাসিন্দা রেড ইন্ডিয়ানরা শ্বেতাঙ্গ ছিল না)। দুনিয়া জয় করে নিলো অক্সফোর্ড-হার্ভার্ড-ক্যামব্রিজ। দুনিয়াকে শিখাতে লাগলো শ্বেতাঙ্গরা শ্...

টেকএলি সভ্যতা

ছবি
যারা আমার ‘ যে ইকুয়েশনের ব্যাক ক্যালকুলেশন অসম্ভব ’ বইটা পড়েছিলেন তারা শুধু ‘টেকএলির সাথে’ সাই-ফাইয়ের প্রথম পর্ব পড়েছেন ‘টেকএলি‘ শিরোনামে। কিন্তু গল্পের সেখানে শুরু ছিলো, শেষ না। যদিও আমার অনেক লেখা হার্ডডিস্কের কারণে নষ্ট হওয়ায় তখন প্রকাশ করতে পারিনি। তবু সময়-সুযোগ হলে আমি আবার লেখবো গ্যালিয়ন এক্স টু সিক্স গ্রহে আদমের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা নিয়ে। যেখানে আদমকে এক টেকএলি বাচ্চা মেয়ে বাঁচায়। যার বড় বড় নীল চোখ আর নীল চুল। তার গায়ের রঙ কাগুজে সাদা। আর সবচেয়ে বড় কথা নাম ‘টেকএলি সভ্যতা’, আপনাদের টেকএলি বা টেকএলির জগতের সাথে পরিচয়ই যদি না করাই তবে কাহিনী সার্থকতা পাবে কিভাবে? টেকএলি পরিচিতি: গ্রহ: গ্যালিয়ন এক্স টু সিক্স গ্রহের প্রধান জীব: টেকএলি ও এন্টিপ্লান্টি অসমাপ্ত টেকএলি গল্পের পরের পর্বের সূত্র, ভূখন্ড ধাতব আকরিকে পরিপূর্ণ। তবে শক্ত নয়, কাঁদা ধরনের পৃষ্ঠ। সবকিছু তলিয়ে যায় ভূপৃষ্ঠে। তাই টেকএলিরা বাড়ি বানায় আকাশে ভাসমান। তাদের গ্রহ যেমন আলাদা আলাদা তাদের জীবন সংগ্রাম।

নতুন লেখকরাও লেখা পাঠাতে পারেন যখন খুশি

  আবারো ‘দূরবীণ’ লেখকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি একসময় ‘দূরবীণ’ নামের একটা ওয়েব ম্যাগাজিন সম্পাদনা করতাম। তাতে যেহেতু ‘কবিতা’, ‘প্রবন্ধ’, ‘গল্প’, ‘সাইন্স ফিকশন’, ‘ধারাবাহিক উপন্যাস’ আর কমিক’ এর জন্য ৬টা পাতা রেখেছিলাম তাই সবার পাঠানো ‘কবিতা’ দিয়ে চলছিলো না ম্যাগাজিন। কবিতার মধ্যে অনেক অপশন পাচ্ছিলাম কিন্তু অন্যান্য ধরনের লেখাগুলো আমাকেই লিখতে হচ্ছিলো। তাই বাধ্য হয়ে বন্ধ করতে হয় ম্যাগাজিন। অবশ্য আমি যে কুলিয়ে উঠতে পারছিলাম না তাও একটা কারণ। পরবর্তী সময়ে আমাকে অনেকে আবার তা শুরু করতে বললেও তা আর কখনোই শুরু করা হয়ে উঠেনি। আজ একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার পরিত্যক্ত ব্লগে নতুন লেখক ও পাঠকদের লেখা প্রকাশ করার সুযোগ দিচ্ছি। 📧 ইমেইল: farhanshadik11.Durbin@blogger.com ✅নিজের লেখা পাঠাতে সাবজেক্ট: দূরবীণ (লেখার জনরা) আপনার রচনার শিরোনাম-আপনার নাম ইমেইলের ভেতরে: (আপনার পুরো লেখাটা।) যে যে বিষয়ে লেখতে পারেন: গল্প, কবিতা, উপন্যাস, মহাকাব্য, সনেট, থ্রিলার বা সমসাময়িক বিষয়সহ সাহিত্যের যেকোনো জনরার লেখা পাঠাতে পারেন। তাছাড়া নতুন যোগ করছি কোনো বইয়ের রিভিউ, বইয়ের প্রচারণা, আপনার লেখা বা গাওয়া গান বা কবিত...

এ কি পরিণতি হলো সভ্যতার!

  গান                 : এ কি পরিণতি হলো সভ্যতার! কথা              : ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) মিউজিক : এআই