একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি
৯ নভেম্বর ২০২৫, খুব ভোরে ঘুম ভেঙ্গে গেল পাশের বাড়ির কারো চিৎকারে। সকালে জানতে পারলাম বড় দাদার (দাদার বড়ভাই) বাড়ির যে মহিলা দেখাশোনা করতেন ‘তার মেয়ে শশুরবাড়িতে আত্মহত্যা করেছে’।
বাচ্চা হবার কারণে একা খরচ উঠাতে পারছিল না বলেই শশুরবাড়িতে রাখতে বাধ্য হয়েছিল স্বামী। প্রাথমিকভাবে সবাই ধারণা করেছিল, শশুরবাড়িতে নির্যাতনের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে সে।
কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট কাহিনীকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলো। মৃত্যু শ্বাসরোধে হয়নি। শরীরে পাওয়া গেলো রডের আঘাতের চিহ্ন। মানে এটা খুন।
তারপর ঘটনা আরেক দফা বদলে গেল। জানা গেল খুনের কারণ। শ্বাশুড়ির পরকিয়া দেখে ফেলেছিল অভাগা মেয়েটি।
এটাকে কোনো থ্রিলার গল্প ভাবতে পারেন, তবে এটা বাস্তব ঘটনা। শুধু এটা না, এমন ঘটনা অহরহই ঘটছে আমাদের চারপাশে। কেন হচ্ছে এই অধঃপতন? কে এই সমাজকে সঠিক পথে নিয়ে আসবে?
আরেকটা মজার তথ্য, মেয়েটির মামলা লড়ে লাভ কি হবে, উল্টো মামলা লড়তে গিয়ে হয়তো উকিলকে সামলাতে ভিটেমাটিটাও বেচতে হবে দুই পক্ষের। তাই পঞ্চায়েত মিমাংসা করে দিয়েছে স্বামীর ভিটেমাটি তার বাচ্চার নামে লেখে দিতে হবে। ব্যস! বিচার শেষ।
বাচ্চাটি হয়তো বড় হয়ে জানতেই পারবে না তার বাড়িটি তার মায়ের লাশের ওপর দাঁড়ানো।