পোস্টগুলি

বিশ্ব পরিস্থিতি বিশ্লেষণ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশনী কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

ইসরায়েল ও আমেরিকা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ

ছবি
 আমেরিকা সাধারণত প্রকাশ্যেই ইসরায়েলকে বাঁচায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো কেন? যারা জানে তারা উপহাস করে বলে চোরে চোরে মাসতুত ভাই। আসলে ইসরায়েল যেভাবে সেই ভূখন্ডের বাসিন্দা ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা-উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছিল, একই কাজ রেড ইন্ডিয়ানদের সাথে করেছিল আমেরিকানরাও। এ বিষয়ে যমুনার এই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন। আমি আর কষ্ট করে তথ্য সংগ্রহ করে লেখলাম না।

পারমাণবিক বোমার সমীকরণ

ছবি
  জানেন পুরো মানবজাতিতে ধ্বংস করতে সাধারণ আকারের কয়টা  পারমাণবিক বোমা মানে  নিউক্লিয়ার বোমা প্রয়োজন? পৃথিবীতে বর্তমানে নিউক্লিয়ার বোমা মজুদ আছে ১২,০০০ থেকে ১২,৩০০টির মতো। যার পরিমাণ বাস্তবে আরও অনেক বেশি। কারণ কোনো দেশই তাদের প্রকৃত পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা পুরোপুরি প্রকাশ করে না। বর্তমানে যে কয়টা আছে তার পরিমাণও পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলো ক্রমাগত বাড়িয়েই চলেছে। যার মধ্যে শুধু অনলাইন করাই আছে ৯,৬০০টি। অর্থাৎ লোকেশন ক্লিক করে বাটন টেপা মাত্রই ছুটে যাবে গন্তব্যে আর শুরু হবে ধ্বংসলিলা এমন ওয়ারহেড আছে ৯,৬০০টি। ইলন মাস্কের এআই গ্রক বলছে, পুরো পৃথিবী ধ্বংস করতে এতগুলো বোমার কোনো প্রয়োজনই হবে না। মাত্র ৫-১০% বোমা অর্থাৎ ৫০০-১,০০০টি বোমাই দুনিয়া থেকে মানুষকে চিরতরে মিটিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। তাহলে কী উদ্দেশ্যে রাশিয়া ৫,৪৫৯টি, আমেরিকা ৫,১৭৭টি আর চীন ৬০০টি পারমাণবিক বোমা মজুদ রেখেছে। মানে গণিতের ভাষায় রাশিয়া আর আমেরিকা এককভাবে ৫ থেকে ১০বার পৃথিবীর মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। যদিও তা বাস্তবে সম্ভব নয়। কারণ ১ম বার মানুষ বিলুপ্ত হবার পরই পৃথিবীতে ২য় বার হামলা চালানোর কেউ থাকব...

এই যুদ্ধ কোনদিকে যাচ্ছে?

ছবি
 

পরমাণু আইন ভেঙে কি শুরু হতে যাচ্ছে পরমাণবিক যুদ্ধ?

ছবি
আমেরিকার নাভাডার এরিয়া ৫১ এর আশেপাশের অঞ্চল কেঁপে উঠছে রহস্যময় ভূ-কম্পনে। রহস্যময় ভূ-কম্পন অনুভূত হয়েছে ইরানেও। তবে কি প্রথম ভয়ংকরতম পারমাণবিক যুদ্ধের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব? ভূঃঅভ্যন্তরীণ পারমাণবিক পরীক্ষার ফলেই এমন কম্পন অনুভূত হচ্ছে বলে দাবী পর্যালোচকদের। এদিকে একই সময়ে আমেরিকায় চলছে সরকার পতনের আন্দোলন। তাদের দাবি আগে ট্রাম্পকে তার নিজের ছেলেকে যুদ্ধে পাঠাতে হবে। মোড় ঘুরে যাচ্ছে যুদ্ধের। তাই হয়তো পরমাণু অস্ত্রই হতে যাচ্ছে ট্রাম্পের ট্রাম্প কার্ড। ইরান যে আমেরিকার এতদিনের দম্ভ এভাবে চুর্ণবিচুর্ণ করে দিবে তা জানতে বোধহয় ট্রাম্প এই মৌচাকে ঢিল ছোড়ার দুঃসাহস দেখাতো না। (কার্টুন দুটি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত)

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ কতদিন চলবে?

ছবি
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে যারা ইতিমধ্যে হাপিয়ে উঠেছেন তাদের বলতে চাই- আপনাদের জন্য সমবেদনা। এ যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চলবে। এর দুটো কারণ। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের যে যুদ্ধবিরতির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিপক্ষকে শক্ত হবার সুযোগ দিয়েছিল তা আর ইরান পুনরাবৃত্তি করবে না। দ্বিতীয় কারণটা হলো, ইরান তার সন্তান আর অভিভাবক শূন্য হবার প্রতিশোধ নিবেই। তারা শিয়া, কিসাসে বিশ্বাসী। আমেরিকা পিছাতে পারবে না কারণ পিছু হাটলে তার বিশ্বব্যাপি আগের মাতব্বরী চলবে না, আর ইরান পিছু হাটলে তা হবে জাতির সাথে বেঈমানি। এখনও আমেরিকাও তাদের পুরো শক্তি ব্যবহার করেনি, ইরানও করেনি। তাদের তুরুপের তাস এখনও তাদের হাতেই আছে। মানে তারা এখনও মূল খেলা শুরুই করেনি। আমেরিকা এখনও বোম্বার বা নিউক্লিয়ার অস্ত্র ব্যবহার শুরু করেনি। ইরানও তাদের আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল ব্যবহার না করে, ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আশেপাশের মার্কিন ঘাটিগুলোতেই শুধু হামলা চালাচ্ছে। আগে মাঠ পরিষ্কার করছে। মূল খেলা এখনও বাকি। যুদ্ধে না গিয়েও সরাসরি ক্ষতির সম্মুখীন হতে চলেছে উন্নয়নশীল দেশগুলো। যারা আমদানি-রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল। মানে আমাদের বাংলাদেশও বিপদে আছে। মিসাইলের বিপদ না থাকলে...

আমরাই কী আধুনিক নাকি কুসংস্কারাচ্ছন্ন?

ছবি
রেপটিলিয়ানরা সমাজ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে, বিজ্ঞানীরা দ্বারস্থ হতো লুসিফারের; ষাট গম্বুজ মসজিদ বানিয়েছে জ্বিনরা আর পিরামিড এলিয়েনদের তৈরি। আমরা মূলত এমন সব উদ্ভট গল্প জন্ম দিয়েছি আগের মানুষদের সৃষ্টিশীলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে। নিজেদের সবচেয়ে বেশি সভ্য প্রমাণ করতে। কিন্তু এসব গাঁজাখুরি গল্পগুলোই আমাদের সভ্যতা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানকে পশ্চাৎমুখী প্রমাণ করে। এসব নবযুগের কুসংস্কার। এগুলোকে মানুষ নিছক কুসংস্কার বলে না খুব সম্ভবত এজন্য যে এটা বিক্রি করা যায় এখনও। আমাদের মেনে নেয়া উচিত আমাদের পূর্বপুরুষরা আমাদের থেকে উন্নত ছিল অনেক ক্ষেত্রেই। প্রত্নতত্ত্ব তো তাই বলে।

ভারতের পররাষ্ট্রনীতি

আমার দেশের জনগণ ঢুকে পড়লে গুলি আর আমার দেশের পলাতক অপরাধী ঢুকে পড়লে আশ্রয়- এই উদ্ভট বর্ডার নীতিটা আমি আজও বুঝিনি।

Epstein Files: আধুনিককালের সবচেয়ে ভয়ংকরতম দলিল

ছবি
জেফরি এপ্সটাইনের বিচার চলাকালীন যে তথ্যগুলো সংগ্রহ করা হয় এবং বিচারের নথিপত্র একত্রে  এপ্সটাইন ফাইল্স নামে পরিচিত। জেফরি এপ্সটাইন প্রয়োজনে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য সবার ছবি ও তথ্য সংগ্রহে রাখতো। পরবর্তীতে তাই হবে উঠে সত্যের সবচেয়ে বড় দলিল। কিন্তু জেলে এপ্সটাইন রহস্যজনক মৃত্যুর কারণে আর আদালতে দাখিল করা হয়নি মানব পাচার, যৌন নির্যাতন, শিশুকাম, এমনটি মানুষ খেয়ে নেয়ার মতো বিভৎস সব অপরাধ হয়েছে বলে দাবি তোলা এই ফাইলগুলো। সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করার পর শেষ পর্যন্ত DOJ প্রকাশ করতে সমর্থ হয় এই ফাইলের একাংশ। তাতেই তোলপাড় হয়ে গেছে বিশ্ব। এতে উঠে এসেছে ক্ষমতাধরদের ভয়ংকরতম শখ। রাজনৈতিক, বিলিয়নিয়ার, ফিল্মস্টার, রকস্টার, খেলোয়াড়, বিজ্ঞানী কে নেই সেই তালিকায়! প্রকাশিত অংশে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নামই এসেছে সাড়ে ৪ হাজারবারেরও বেশি । এ থেকে পরিষ্কার হয় ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণায় এই ফাইল প্রকাশের কথা বললেও, জয়ের পর কেন ফাইলগুলো প্রকাশে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিলো। এতদিনের স্বীকৃত ভালো মানুষগুলোর মুখোশ উন্মোচন হতেই বিশ্ব চমকে উঠেছে। মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা বিল গেটস, নিউইয়র্কের মেয়র মামদানির...
FS Quote