পোস্টগুলি

ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশনী কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ম্যাগাজিন ‘অগ্রপথিক’

ছবি
  রমজানের ক্যালেন্ডার নামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে ঢুকলাম। জানেনই তো বাংলাদেশের সরকারি ওয়েবসাইডে তথ্য খোঁজা আর সমুদ্রে গুপ্তধন খোঁজা একই ব্যাপার। খুঁজতে খুঁজতে একটা ম্যাগাজিনের হদিস পেলাম। ইসলামিক ফাউন্ডেশন একটা ম্যাগাজিন প্রকাশ করতো! ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশ করতো অথচ নামই শুনিনি! অবাক কাণ্ড! ম্যাগাজিনটা অজানা থেকে যাওয়ার কারণ কী তাই জানতে ঢুকলাম প্রথম সংখ্যায়। তারপর আরো কয়েকটা সংখ্যায় ঢুকলাম। দেখি বাহ! ইসলামের গুণগানের চেয়ে বঙ্গবন্ধুর গুণগান বেশি। মনে পড়ে গেল সে যুগটা যে যুগে আমি নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তি করে পুরস্কার জিতেছিলাম ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ আর ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ঐতিহাসিক ফাঁসির রায়’। রাজনৈতিক বই পেয়ে এত বিরক্ত হলাম যে আর কখনো আবৃত্তিই করিনি। সব জায়গায় বঙ্গবন্ধু। সরকারি ল্যাম্পপোস্ট থেকে মানিব্যাগ সর্বত্র সে। যার কারণে ধীরে ধীরে এই মানুষটার প্রতি বিতৃষ্ণা চলে আসতে শুরু করে। লেবু বেশি চিপলে তেঁতো হয়ে যায়। কিন্তু ম্যাগাজিন জলে যায় যাক, কেউ না পড়ুক, সরকারি আমলাদের সরকারকে তো তেল মেখে যেতে হবে। তারা ইদানিং কিছুটা এতিম-প্রায় দশায় আছে। অবশ্য ইদানিং নতুন পা আর প...

আমরাই কী আধুনিক নাকি কুসংস্কারাচ্ছন্ন?

ছবি
রেপটিলিয়ানরা সমাজ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে, বিজ্ঞানীরা দ্বারস্থ হতো লুসিফারের; ষাট গম্বুজ মসজিদ বানিয়েছে জ্বিনরা আর পিরামিড এলিয়েনদের তৈরি। আমরা মূলত এমন সব উদ্ভট গল্প জন্ম দিয়েছি আগের মানুষদের সৃষ্টিশীলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে। নিজেদের সবচেয়ে বেশি সভ্য প্রমাণ করতে। কিন্তু এসব গাঁজাখুরি গল্পগুলোই আমাদের সভ্যতা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানকে পশ্চাৎমুখী প্রমাণ করে। এসব নবযুগের কুসংস্কার। এগুলোকে মানুষ নিছক কুসংস্কার বলে না খুব সম্ভবত এজন্য যে এটা বিক্রি করা যায় এখনও। আমাদের মেনে নেয়া উচিত আমাদের পূর্বপুরুষরা আমাদের থেকে উন্নত ছিল অনেক ক্ষেত্রেই। প্রত্নতত্ত্ব তো তাই বলে।

পরীক্ষা ঘিরে আদর্শ ও গণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনা

ছবি
আমার আত্মীয়-স্বজন চিন্তায় আছে ছেলেটার কি হলো, পড়াশোনা করছে না কেন! আবার বন্ধুদের দাবি, পরীক্ষায় কারচুপি করতে না শিখলে সাত কলেজে পাশ আসবে না। দুটো আপাত দৃষ্টিতে আলাদা ঘটনা। কিন্তু প্রশ্ন হলো কতটা! এটা আমার সামনে বসা শিক্ষার্থীর এক পরীক্ষার নকল। তিনটি খাতাই বলা যায়। পৃষ্ঠা যথাক্রমে ৩৬, ৩৪ এবং ৩০। মানে একটা গাইডের পাণ্ডুলিপিই এনেছে বলতে পারেন। ওর নকল কিন্তু একদিনও ধরতে পারেনি শিক্ষক। আর পরীক্ষায় কারচুপি করতে না শিখলে সাত কলেজে পাশ করতে পারবো না বলা ছেলেটা আমার পেছনে বসেছিল। ঐ বেটা অবশ্য তত প্রোফেশনাল ছিল না। একদিন নকল নিয়ে ধরা খেয়েছিল। শাস্তি শুধু নকলটা দেখে আর লেখতে না পারা এবং অন্য জায়গায় বসে পরীক্ষা দেয়া। তবে পরীক্ষক আরেকটা শাস্তি নিজের অজান্তেই দিয়েছিলেন। পরীক্ষককে দেখে তার ফোন আগের বেঞ্চেই লুকিয়ে ফেলেছিল সে। ফলে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষা আগে শেষ হলেও তার ফোনের জন্য বাহিরে বসে থাকতে হয়েছে ঘন্টাখানেক। মজার ব্যাপার, এই দুই নকলবাজের মধ্যে আমাকে চ্যাক করা হয়েছে দুইদিন। অথচ আমার সামনে-পেছনের দুই জনকে চ্যাক করা হলে যে কাগজ উদ্ধার হত তা কেজি দরে বিক্রি করতে পারতেন পরীক্ষক। কি আর করা, সব ...

ভারতের পররাষ্ট্রনীতি

আমার দেশের জনগণ ঢুকে পড়লে গুলি আর আমার দেশের পলাতক অপরাধী ঢুকে পড়লে আশ্রয়- এই উদ্ভট বর্ডার নীতিটা আমি আজও বুঝিনি।

প্রসঙ্গ যখন গণভোট গণনা

ছবি
 আওয়ামীলীগ গুজব ছড়াতে একটা আন্দাজে সংখ্যা বসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আসল সংখ্যাটা দিয়ে হিসেব করলেই কারচুপির একটা সমীকরণ দেখাতে পারতো তারা। প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারতো নির্বাচনকে। কিভাবে? প্রথমআলোর তথ্যমতে, হ্যা ভোট: ৪,৮০,৭৪,৪২৯টি না ভোট:  ২,২৫,৬৫,৬২৭টি। মোট= ৭,০৬,৪০.০৫৬ টি বৈধ ভোট । আখতার আহমেদ ঘোষণা করলেন: ৬০.২৬% ভোট পরেছে। মানে বাংলাদেশে মোট ভোটার ১১,৭২,২৫,৪৫০ জন (প্রায়) কিন্তু বাংলাদেশ প্রতিদিনের তথ্যমতে ১২,৭৬,৯৫,১৮৩ জন ভোটার সমগ্র বাংলাদেশে। তাহলে কি ১,০৪,৬৯,৭৩৩ জন ভোটার হ্যা-না দুটোতেই সিল মেরেছে? এমন চিন্তা মোটের যৌক্তিক না। ভোটারদের সাড়ে বারো ভাগের একভাগ ভুল করা অসম্ভবই না, অবাস্তব। মানে দাঁড়ায়, সংসদ নির্বাচন বাদ দিলাম, শুধু ‘হ্যা’ ভোটের হিসাবেই এক কোটি ভেটারের হিসাব গড়মিল হয়ে গেছে। তারা কতটুকু সুষ্ঠ হিসেব নির্বাচনে করেছে? ভোটের হিসাবই বা কতটা নিঁখুত করেছে? গ্যাজেটে আবার সংখ্যা কিছু এদিক-সেদিক হয়েছে দেখছি।

আমি এবং নির্বাচন

এ  আর কি নির্বাচন! নির্বাচন হতো আমাদের স্কুল-কলেজে। কি পরিমাণ রাজনীতি যে সেখানে ছিল চিন্তা করতে পারবেন না। আমি জীবনে কখনো নির্বাচনে জয়ী হইনি। স্কুল জীবনে নিজে থেকে দাঁড়াইও নাই। তো একবার ক্লাস সেভেন কি এইটে বন্ধুরা আমাকে জোর জবরদস্তি করে দাঁড় করিয়ে দিলো। মজার ব্যাপার হলো, আমার সেই একমাত্র নির্বাচনে আমি এক ভোটও পাইনি। নিজেরটাও না। কারণ আমার নিজের পক্ষে নিজেকে সাপোর্ট করাটা বিবেকে বাঁধছিল। যেহেতু একটাও ভোট পাইনি তাই আমি জেনে গিয়েছিলাম সবগুলোই পল্টিবাজি করেছে। পরে অজুহাত দিলো, “তোর পরে যে দাঁড়িয়েছে, ও না দাঁড়ালে সবাই ভোট তোকেই দিতো বিশ্বাস কর।” সেদিন প্রতারিত হয়ে আমার লুবাবার চেয়ে বেশি কান্না পেয়েছিল তা বলাই বাহুল্য। তবে এটাই আমার প্রথম নির্বাচন না। আমি সবসময়ই যেহেতু শিক্ষকদের মোস্ট ফেভারিট ছিলাম। তাই ক্লাস থ্রি কি ফোরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ক্যাপ্টেন বানিয়ে দিয়েছিল। দায়িত্ব সামান্যই কারা বিশৃঙ্খলা করছে তার নোট রাখা। আমার অবশ্য ঐদিন বাড়িতে ছুটি নিয়ে আগে চলে আসার কথা ছিল। এক ছেলেকে নাম লেখার দায়িত্ব দিয়ে চলে এলাম। ঐ দিনই ওদের মারামারি হবার ছিলো! আর ঐ ছেলেটাও আমার বি...

বাহিনীর হাতে আইন গেলে

আইন ও বিচার বিভাগের ক্ষমতা সামরিক বাহিনীর কোনো দলের হাতে গেলে কখনোই তা ফলপ্রসূ হতে দেখিনি। সৃষ্টি হয়েছে শুধুই সে বাহিনীর ত্রাস। জন্ম নিয়েছে ব্রাশফায়ার-ক্রসফায়ার ধরনের কিছু ভীতিকর নাটকীয় শব্দ। সৃষ্টি হতে দেখেছি, জনমনে ভয়। এই বুঝি মিথ্যে মামলা দিয়ে পুলিশ/আর্মি নির্বিচারে মেরে ফেলে... বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, কোনো বাহিনীর হাতে বিচারের ক্ষমতা তুলে দেয়া না। যেমনটা সবশেষ আওয়ামীলীগের আমলেই দেখেছি। ফল কেমন হয়েছিলো সবাই তো জানেনই।

Song-You're Mine

ছবি
Song: You're Mine Lyrics: Farhan Shadik (Songram) Video: Revid Ai Full Song: Destruction, if you want, I may bring The Hotel Sheraton. I'll donate if you wish The United Kingdom's London. Just one time tell me truly That you are mine. Just mine. If you want, I can become An Oxford Professor. If you want, I can break Suleiman's dagger. Just one time tell me truly That you are mine. Just mine. If you want, I can disperse The criminal's black hand. If you want me to, I will break the concrete of creed. Just one time tell me truly That you are mine. Just mine. If you want, down to the earth I will bring the golden mountain. If you want, I'll fill the river With an oil fountain. Just one time tell me truly That you are mine. Just mine.

লজেন্স বোর্ড ১৬ গুটি-16 Beads (Classic)

ষোলো গুটি - লজেন্স বোর্ড ষোলো গুটি - লজেন্স বোর্ড খেলার নিয়ম 🟡এ.আই.: 0 Your turn...🟤 বাকি: 10 sec. 🟤আপনি: 0 আবার খেলুন

পোকার ১৬ গুটি-16 Beads (Beetle Board)

১৬ গুটি-পোকা ১৬ গুটি (পোকা বোর্ড) এআই: 16 আপনি: 16 Your turn (Yellow) নতুন বোর্ড
FS Quote