পোস্টগুলি

জুন, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশনী কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

প্রজেক্ট: মিনি ড্রোন 2MP (৫-৬ ‍মিনিট উড়বে)

ছবি
  ড্রোন সার্কিট যা যা লাগবে ক্যামেরা: ESP32-CAM 8520 Coreless Motor (৪টি-২টি ক্লকওয়াইস আর ২টি এন্টি ক্লক ওয়াইস নিতে হবে) প্রপেলার (৪টি) MOSFET (SMD): SI2302 (৪টি) ব্যাটারি: LiPo 600mAh 3.7V (25C এর বেশি) চার্জিং মডিউল: TP4056 Type B/C (নিজের সুবিধামতো তবে বেশি শক্তিশালি চার্জার দিয়ে চার্জ করতে না যাওয়াই ভালো) সুইচ ১টি ২৪/২৬ গেজের সিলিকন তার/পিভিসি ওয়ার/রিবন ওয়ার সবচেয়ে বেশি লাগবে। ক্যামেরা থেকে শুধু মসফেটে লাইন নিতে সূক্ষ্ম ৩০ গেজের সুপার এনামেল্ড তামার তার লাগবে। রেডিমেট বা নিজের বানানো ফ্রেম ড্রোন চালানোর জন্য C++ কোড FTDI USB-to-TTL Programmer (শুধু ক্যামেরার প্রসেসরে কোড ভরার সময় লাগবে) আসল ব্যাটারি দেখতে এমন বাজেট: দেড় হাজার। কোড লেখার দায়িত্ব তাওছিফের। যদি সে তার কোড পাবলিক করতে চায় তবেই শুধু দেয়া হবে।

বাইবেল অনুসারে কেয়ামতের খবর কী?

ছবি
কেয়ামত নিয়ে আমাদের কতই না মাথাব্যথা। মুসলিম-হিন্দু-খ্রীষ্টান সব ধর্মেই আছে নিজস্ব ব্যাখ্যা। কিন্তু কেউ কোনোদিন অন্য জনের মতের সাথে বিষয়গুলো মিলিয়ে দেখেনি। আজ আপাতত বাইবেলের ধ্বংসতত্ত্ব নিয়েই আলোচনা করি। ইসলাম আর হিন্দু ধর্ম নিয়ে অনেকেই অনেককিছু ইতিমধ্যে জানে। ইসলামে  যেমন ১০টি বড় আলামত আর অসংখ্য ছোট আলামত  আছে তেমন বাইবেলেও আছে দাজ্জাল বা এন্টিক্রাইস্ট বাদে আরও ৭টা সিল (বড় আলামত বলতে পারেন)। চলুন এ বিষয়ে আলোচনা করি। ১ম সিল: সাদা ঘোড়া ওয়ালা অশ্বারোহীর আবির্ভাব । তার প্রতীক হবে মুকুট আর সাথে থাকবে ধনুক। সে মিথ্যা শান্তির প্রতিশ্রুতি দিবে। সে বিশ্বজুড়ে বিজয়ের ও শান্তির বার্তা দিবে কিন্তু তা হবে চরম ধোঁকা। (অনেকে এটা দাজ্জালের সাথে মিলাতে পারেন, তবে আমি এর অন্য ব্যাখ্যা করতে যাচ্ছি।) ২য় সিল: লাল ঘোড়া ওয়ালা অশ্বারোহীর আবির্ভাব । তার সাথে থাকবে তলোয়ার আর সে পৃথিবীতে নিয়ে আসবে যুদ্ধ ও রক্তপাত।  ৩য় সিল: কালো ঘোড়া ওয়ালা অশ্বারোহীর আবির্ভাব । তার হাতে থাকবে দাঁড়িপাল্লা আর সে দুনিয়ায় নিয়ে আসবে দুর্ভিক্ষ । তার আভির্ভাবের পর ১ দিনের পারিশ্রমিক দিয়ে মানুষের একবেলার খাবারও জুটবে না। ...

উপায় লোডশেডিং

ছবি
ছবিটা লোডশেডিংয়ের জন্য তোলা যায়নি একে তো বিদ্যুৎ থাকে না, তার ওপর দু’মাস পরপর মূল্যবৃদ্ধি। ২ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করার কথা রূপপুরে সদ্য চালু হওয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের। মানে বাংলাদেশের সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের জন্য এটা একাই দিনে ৩ ঘন্টার মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করার কথা। কিন্তু বিদ্যুৎটা কোথায়? আদানির সাথে আবার নতুন করে চুক্তি করা হয়েছে। যার কারণে বাড়ছে দাম। সেই বিদ্যুৎটাই কোথায়? নিজেদের আগের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ পেতাম তাও তো পাচ্ছি না। এখন কেউ কেউ অজুহাত দিবে তেল সংকট। কিন্তু বাংলাদেশের কোনো তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রই তেলে চলে না, চলে কয়লার সাহায্যে। ইউক্রেন যুদ্ধের সময় কয়লা সংকট হয়েছিল বলে কয়েকটা বিদ্যুৎকেন্দ্র অবশ্য গ্যাসে চলে। ভালো সার্ভিস যদি না পায়, জনগণ কেন অতিরিক্ত টাকা পরিশোধ করবে? কারণ তাদের বিকল্প নেই। যত যাই হোক বিদ্যুৎ ছাড়া আমরা অচল। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগায় আমাদের দেশের আমলারা। ইউক্রেনে যুদ্ধ? দাও লোডশেডিং। ইরানে পেট্রোল আটকে দিয়েছে? লাগাও লোডশেডিং। গ্যাস বিক্রেতারা ধর্মঘট ডেকেছে? এই সুযোগ, লোডশেডিং। দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদন...

বাংলা মহাকাব্য

ছবি
মাইকেল মধুসূদন দত্ত যখন বাংলায় প্রথম মহাকাব্য রচনা করেন তারপর থেকে কবিদের একটা প্রতিযোগিতা শুরু হয়।  কে মহাকাব্য লিখতে পারে, এটা এক বড় যোগ্যতা? এ উন্মাদনা পরবর্তী ৬ দশকের বেশি সময় ধরে চলেছিল। রবীন্দ্রনাথও যে একসময় মহাকাব্য লেখার চিন্তা করেছিলেন সে ব্যাপারে তো সে তার পঞ্চভূতে বলেছেনই। অনেকেই শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত সফলতা পেয়েছিলো খুব কম মহাকাব্যই। আমার অনুসন্ধান মতে মাত্র ১২টি। আর মহাকবি মাত্র ৯ জন। তারা হলেন- মাইকেল মধুসূদন দত্ত,  হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়,  হরিমোহন মুখোপাধ্যায়,  নবীনচন্দ্র সেন, মানকুমারী বসু, মোজাম্মেল হক, কায়কোবাদ,  ইসমাইল হোসেন সিরাজী ও যোগীন্দ্রনাথ বসু। বাংলা সাহিত্যের মহাকাব্যের টাইমলাইনকে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলা যায়।  → পৌরাণিক মহাকাব্যের যুগ ১৯ শতকের শেষ ৪ দশক ( ১৮৬১-১৯০০ সাল) ১. মেঘনাদবধ কাব্য-মাইকেল মধুসূদন দত্ত ২. বৃত্রসংহার ( দুই খণ্ড )-হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ৩. মুকুট উদ্ধার -হরিমোহন মুখোপাধ্যায় ৪. বীরকুমার বধ কাব্য - মানকুমারী বসু   ৫ . রৈবতক-নবীনচন্দ্র সেন ৬. কুরুক্ষেত্র-নবীনচন্দ্র সেন   ৭. প্রভা...
FS Quote