পোস্টগুলি

ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশনী কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

MAGA is an illusion/আমেরিকার মেগা একটি জাতীয় ধোঁকা

ছবি
War isn't just a battle of nations— it's leaders gambling with soldiers' lives using a deck of lies. যুদ্ধ শুধু দু‘দেশের লড়াই না। সেখানে নেতাদের মিথ্যে কথার সাথে সৈনিকদের জীবনের জুয়া খেলা হয়। Real Eyes Realize Real Lies

সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা

ছবি
বহিরাগতদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশীদের সর্বশেষ মুক্তি সংগ্রামের সূচনালগ্নের শুভেচ্ছা।

শতাব্দির আর্তনাদ

ছবি
আমাদের শৈশবে ঘুম পাড়ানি ছড়ার অর্থ মোটেই আমাদের শৈশবের মতো আনন্দময় ছিল না। এটা কোনো ছেলে ভুলানো ছড়া হবার কথাই ছিল না, এটা অনাচারের বিরুদ্ধে এক কবির প্রতিবাদ। সম্ভবত ছড়াটি মানুষের মনে গেঁথে গিয়েছিল বলে যুগ-যুগ ধরে মায়েরা অর্থ না বুঝেই এ গানে ঘুম পাড়িয়ে আসছে সন্তানকে। আমার মনে হয় না অর্থ জানার পর কোনো মা তার সন্তানকে এ ছড়া শুনিয়ে ঘুম পাড়াতে পারবে।  যাই হোক, ছড়াটি ছিল এমন—  ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো, বর্গী এল দেশে বুলবুলিতে ধান খেয়েছে, খাজনা দেব কিসে? ধান ফুরল, পান ফুরল, খাজনার উপায় কি? আর ক’টা দিন সবুর কর, রসুন বুনেছি। ধনিয়া-পিয়াজ গেছে পচে, সর্ষে ক্ষেতে জল খরা-বন্যায় শেষ করিল বৎসরের ফসল। ধানের গোলা, চালের ঝুড়ি সব শুধু খালি, ছিন্ন কাপড় জড়িয়ে গায়ে শত শত তালি। ধানের গাছ, বিলের মাছ যাই কিছু ছিল নদীর টানে বাঁধটি ভেঙ্গে সবই ভেসে গেল। এ বারেতে পাঁচ গাঁয়েতে দিয়েছি আলুর সার আর কটা দিন সবুর করো মশাই জমিদার। এবার ব্যাখ্যা করি— “ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো বর্গী এল দেশে।” বর্গী ছিল মারাঠি দস্যুদল। মগদের মত তারাও কোথাও আক্রমণ চালালে মানুষ মেরে, লুটপাট করে সারা পাড়া বিরাণ করে দিতো। সেখানে কথক ...

প্রজেক্ট: বাইনারি রোধবক্স

ছবি
সরল সার্কিট চিত্র: এটাই একটি রোধবক্সের সার্কিট রোধবক্সের বিবরণ: ১.৫ ভোল্ট বা তার নিচের বিভবে সরাসরি যুক্ত করলেও নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে। মানে দুই পাশে একটা পেন্সিল ব্যাটারি ধরে রাখলেও নষ্ট হবে না। ১. সুইচ ১১টা- সর্বনিম্ন রোধের রকার সুইচ (২০০-৩৫০ টাকা) দারাজে আরও কম দেখাচ্ছে। ২. বাইন্ডিং পোস্ট ২টি (৩০-৬০ টাকার ভেতরে):  দারাজে বেশি দেখাচ্ছে। মেকার্স বিডির দামও বেশি। এমনিতে আমার কাছে আছে। ঠিক আছে নাকি চ্যাক করা দরকার। ৩. রোধ ১০টা-১% বা তার কম   টলারেন্স   (পটুয়াটুলি/সাইন্স ল্যাব ১০০ টাকার মধ্যে): ৫ Watt- 1Ω   (১% টলারেন্স  সিরামিক  পাওয়া যায়) , 2Ω (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়), ২ Watt- 4Ω  (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়), ১ Watt- 8Ω   (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়) , 16Ω   (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়), ০.৫ Watt- 32Ω (৩০+২), 64Ω (৬২+২), 128Ω (১২০+৮), 256Ω (২৪০+১৬), 512Ω (৫০০+১২) অর্থাৎ সরাসরি  না পাওয়া গেলে,  ১Ω-১ [ সিরামিক,  ৫ ওয়াট] ২ Ω-৩  [ সিরামিক,  ৫ ওয়াট] ৪Ω-১ [ Metal Film, ২ ওয়াট]  ৮Ω-২...

আমাদের স্কুল-কলেজের ল্যাবের অধিকাংশ যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকে কেন?

ছবি
ল্যাবে ঢুকলেই দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ যন্ত্র নিখুঁত মান দেয় না তো ঐ যন্ত্র একেবারেই নষ্ট। কখনো ভেবে দেখেছেন এমন হয় কেন? কারণ আর কিছুই না। আমাদের শিক্ষার্থী বা প্রশিক্ষক কেউই খেয়াল রাখে না, একটা যন্ত্রের সহ্য ক্ষমতা কতটা। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটা যন্ত্রাংশের একটা সহনীয় ক্ষমতা থাকে। রোধবক্স রোধবক্সের কথাই ধরুন। আমাদের ল্যাবে ১Ω-১০০০Ω পর্যন্ত মানের যে রোধবক্সগুলো থাকে সেগুলো সাধারণত ৫ ওয়াটের হয়ে থাকে। একটা রোধবক্সের প্রত্যেকটা রোধ বা এর অভ্যন্তরীণ রোধ সমান ভোল্টেজ সহ্য করতে পারে না। যত কম রোধ তা সাধারণত তত কম ভোল্টেজ সহ্য করতে পারে। আপনি সরাসরি ১২ ভোল্টের ব্যাটারির দুই প্রান্তে লাগিয়ে দিয়েও ৩০Ω এর চেয়ে বড় যেকোনো মানের রোধ পরিক্ষা করতে পারবেন সহজেই। কিন্তু সরাসরি ব্যাটারির দুই প্রান্ত কানেক্ট করে যখন আপনি ২৮.৮Ω এর চেয়ে কম মানের রোধ তুলবেন তখনই তা গরম হতে শুরু করবে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে নষ্ট হয়ে যাবে। পরে শর্ট সার্কিট হবে, মানে রোধবক্সের ঐ রোধটা আর কাজ করবে না। এখন তাহলে প্রশ্ন হলো, যদি কাজ করা না যায় তাহলে এই রোধগুলো কেন দেয়া হয়? উত্তর হলো, কম ভোল্টে ব্যবহার করার জন্য। বিশেষ করে রোধবক্...

আমার ডিজাইন করা হাইব্রিড শ্রেণী বর্তনী

ছবি
শ্রেণিতেও যেন প্রতিটা বাল্ব আলাদাভাবে জ্বালানো যায় সেজন্য এই সার্কিটটা ডিজাইন করেছিলাম অনেকদিন আছে। সম্ভবত ৯ম শ্রেণীতে থাকার সময়। সার্কিটটা সরল এবং মৌলিক। উচ্চ ভোল্টেজ সহ্য করতেও এই সার্কিট সেরা। এই সার্কিট দিয়ে যা যা করা যাবে রোধবক্স জাতীয় যন্ত্রপাতি বানানো, উচ্চ ভোল্টেজে নষ্ট হয় এমন যন্ত্রের নিরাপত্তা দেয়া, কোন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়েছে তা সহজেই নিশ্চিত করা। সার্কিটের থ্রিডি মডেল দেখে আসতে পারেন। মানে স্যামুলেশন করতে পারেন এই ‍লিংকে ক্লিক করে,  https://www.tinkercad.com/things/jS1AUzemw6G-hybrid-series-circuit-?sharecode=G3_6xXAW9vp_ufCDPLc3hW_4_A4oVvZc3ScE3Eo_62M

ইহুদী-খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ ইবরাহিম (আ) এর প্রথম পুত্র সম্পর্কে কী বলে?

ছবি
খ্রিস্টান ও ইহুদিরা দাবী করে আব্রাম/ইব্রাহিমের প্রথম পুত্র যাকে কুরবানী করা হয় তার নাম, আইজ্যাক/ইসহাক ছিলো। কিন্তু ইহুদিদের তোরাহ/তাওরাতের এবং বাইবেলের ওল্ড টেস্টেমেন্ট এর জেনেসিস (যার বাংলা আদিপুস্তক) খণ্ডের অধ্যায় ১৬তে সরাসরি হাগার/হাজর (যাকে বাঙালিরা হাজেরা নামে চিনে) এর ঘরে ইশ্মায়েল/ইসমাইলের জন্মের কথা বলা আছে। যে তার প্রথম সন্তান। স্পষ্ট কথা। যেমনটা আমরা মুসলিমরা বিশ্বাস করি। ইসমাইলের জন্মের সময় ইব্রাহিম (আ.) এর বয়স ৮৬ বছর, আর ইসহাকের জন্মের সময় তার বয়স ১০০ এরও বেশি। (অধ্যায় ১৭তে বলা আছে, পরের স্ক্রিনশর্টে) ইসমাইল (আ.) যে ১২ জন মহান নেতার পিতা হবে আর তার বংশধরদের থেকে যে একটা মহান জাতির সৃষ্টি হবে তা তারা কিছুতেই মানতে চায় না। কারণ ঐ জাতিটা মুসলিম। ইসমাইল (আ.) এর বংশে এই একজনই নবী এসেছে। এবং তিনিই শেষ নবী, হযরত মোহাম্মদ (সা.)। আর কোনো নবীই আসেনি।  তাদের ব্যাখ্যা মতে, ইসমাইলের পুত্রদের মধ্যে সেই ১২ নেতা হলেন নবায়োৎ, কেদর, অদবিয়েল,মিবসম, মিশ্মা, দূমা, মসা, হদদ, তেমা, যিটূর, নাফীশ এবং কেদমা। ঐতিহাসিকভাবে কুরাঈশরা কেদরের বংশধর। অর্থাৎ হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর পূর্বপুরুষ কেদর। তার...

ইসরায়েল ও আমেরিকা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ

ছবি
 আমেরিকা সাধারণত প্রকাশ্যেই ইসরায়েলকে বাঁচায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো কেন? যারা জানে তারা উপহাস করে বলে চোরে চোরে মাসতুত ভাই। আসলে ইসরায়েল যেভাবে সেই ভূখন্ডের বাসিন্দা ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা-উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছিল, একই কাজ রেড ইন্ডিয়ানদের সাথে করেছিল আমেরিকানরাও। এ বিষয়ে যমুনার এই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন। আমি আর কষ্ট করে তথ্য সংগ্রহ করে লেখলাম না।

অপরাধী ও কাপুরুষদের বিরুদ্ধে ইরানের হুঁশিয়ারি

ইরানের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবল ফজল শেকারচি প্রেসব্রিফিংয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “মুসলিম সরকারদের নরমসুরে সতর্ক করছি, কাপুরুষতা বাদ দিয়ে অপরাধী যুক্তরাষ্ট্র আর অসভ্য ইহুদী গোষ্ঠীর মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নাও। নয়তো যেমন বিস্ফোরণ ও যুদ্ধের ঘটনা তাদের সাথে ঘটছে, একই ঘটনা তোমাদের সাথেও ঘটবে। আর তোমরা যদি ব্যারল প্রতি ২০০ ডলারের ওপর তেল কিনতে পারো তাহলে খেলা চালিয়ে যাও।”

কে এই কান্ট?

ছবি
কিছু মানুষ গণতন্ত্র  নেই বলে ইরানকে অশিক্ষিত বর্বর দাবি করলে সোশ্যাল মিডিয়াতেই উঠে আসে ইরানি রাজনীতিবিদদের শিক্ষাগত যোগ্যতা। যেখানে আলী আরদাশির লারিজানি যিনি বর্তমানে ইরানের জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ এবং ইসলামিক রেভুলেশনারি গার্ডের প্রাক্তন কর্মকর্তা ছিলেন তার ২০০৪ সালে প্রকাশিত তিনটা বইয়ের প্রত্যেকটার শিরোনামেই উঠে আসে কান্টের নাম। বই তিনটি ছিল The Mathematical Method in Kant ’s Philosophy, Metaphysics and the Exact Sciences in Kant ’s Philosophy এবং Intuition and the Synthetic A Priori Judgments in Kant ’s Philosophy এখন প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক এই কান্টটা কে? পুরো নাম ইমানুয়েল কান্ট। ১৮ শতকের বিরাট দার্শনিক (তাছাড়া পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের তার অবদান ছিল)। তার দর্শনে এবং তার আগের দর্শনে আকাশ-পাতাল তফাৎ। এই জার্মান দার্শনিকই আধুনিক দর্শনের ভিত্তি গড়ে দিয়ে গেছেন। জন্ম নিয়েছে আন্তর্জাতিক আইন ও তাতে মানবাধিকারের সংজ্ঞা। (আগেই বলে রাখি তার এই তত্ত্বগুলো একটু জটিল, শুনতে অনেকটা প্যারাডক্সের মতো।) তার বিখ্যাত কিছু দর্শন ১. নীতিবিদ্যা: তিনি নীতির একটা অসাধারণ সংজ্ঞা দেন। সা...
FS Quote