একটা ভয়
নিজেকে স্রষ্টা করে, নিজের স্বর্গ নিজেই বানাচ্ছে।
বলা হচ্ছে কিছুই করতে হবে না তোমাদের,
কাজ রোবট আর এআই করবে আমাদের।
মানুষ সময় হারাচ্ছে, কাজ হারাচ্ছে
কিন্তু হচ্ছে না হুশ। সবাই বেহুশ।
যখন ধনকুবেরদের শ্রমিক দরকার হবে না,
তখন আমরা হবো শুধু অপ্রয়োজনীয় আবর্জনা।
যদি তাদের সব সমস্যা সমাধানের থাকে প্রেরণা
সমাধান এখন থেকেই তবে কেন শুরু করছে না??
কিছু মানুষ ধরে নেয় এসব নিছক কল্পনা। আরে এআইতো আমরা ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারছি। তারা এটা আমাদের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচে বানিয়েছে এমনটাই যদি আপনি ভেবে থাকেন তবে বলবো স্বপ্ন থেকে জেগে উঠুক। এআই আসার পর বিপুল পরিমাণ কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। এখন যন্ত্র কায়িক শ্রম ও মেধাশ্রম দুই কাজেই দক্ষ হয়ে উঠছে। তাই পৃথিবীর এখন আর এত মানুষের প্রয়োজন হবে না। যাদের টাকা আছে শুধু তারাই বেঁচে থাকবে, মানে পুঁজিবাদী বা ধনকুবেররা।
২০১৩ সালের দিকে ভ্যালেরিপিয়ারিস ছদ্মনামে কেন মায়ার্স নামের এক শিক্ষক প্রকাশ করে এমন এক মানচিত্র যার ক্ষেত্রফল পৃথিবীর ১০ শতাংশের কম হলেও ৫০% এর বেশি মানুষ সেখানেই আছে। এই বৃত্তটিকে তাই ‘ভ্যালেরিপিয়ারিস সার্কেল’ নাম দেয়া হয়। এই সীমানায় আছে মিয়ানমার, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চীন, জাপান, ইন্দোনেশিয়াসহ বেশ কিছু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ান দেশের অংশবিশেষ। বৃত্তের কেন্দ্রে আছে মিয়ানমারের মং খেত জায়গাটি।
করোনার এত ঘন ঘন মিউটেশনে পরিবর্তন ঘটেছে যা কোনো প্রাকৃতিক জীবদেহের ক্ষেত্রে হয় না। কারণ মিউটেশন বিবর্তনের একটা লক্ষ বছর ব্যাপি চলতে থাকা দীর্ঘ প্রক্রিয়া।
চীন, জাপানের মতো দেশগুলো কিন্তু আসন্ন ঝড়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আর কিছুটা পিছিয়ে থাকা ভারত-বাংলাদেশের মতো দেশগুলো এখনও কামড়াকামড়িতেই ব্যস্ত...
`গেম অব থ্রোনস’ স্টাইলে বললে-
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন