পোস্টগুলি

ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশনী কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

একটা খেলা ও টনি স্টার্কের , “আই হ্যাব এ প্ল্যান।”

ছবি
আপনারা সবাই একটা কার্ডের ব্যাপারে জানেন, আর এও জানেন আমি সিম কার্ডের ব্যাপারে বলছি না। একজন ব্যক্তি সেই কার্ডের লোভ দেখিয়ে সিটে বসে গেছে, আপনারা এও জানেন আমি চেয়ার সেটিং খেলার কথা বলছিলাম না। সে বসার আগেই বলেছিলাম সে মূলা ঝুঁলাচ্ছে, আপনারা এও জানেন যার সামনে ঝুঁলানো হয়েছিল সে গাধা ছিল না। আবার হতেও পারে, দৃষ্টিভঙ্গির হিসেবে। এবার টনি স্টার্কের সেই বিখ্যাত সিনেমাটিক ডায়লগের কথা বলি, “আই হ্যাব এ প্ল্যান।” আপনার প্রশ্ন হতে পারে স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড আমি এত ঘুরিয়ে বলছি কেন?  কারণ আমার খেলোয়াড়ের প্রতিপক্ষের সাথে কোনো সম্পর্ক নাই। একজন তুমুল জনপ্রিয় তরুণ রাজনীতিবিদ যদি এই খেলার গর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারে সেখানে আমিতো নিছক অপ্রচলিত লেখক। আমার লাশ নিয়ে রাজনীতি করার লোক ও  পাওয়া যাবে না বলেই আমার ধারণা। কোন তরুণের কথা বলছি তাও আপনারা জানেন, তাই আমি আর বললাম না। যাই হোক, “আই হ্যাব এ প্ল্যান।” টপিকে ফেরা যাক। এই কার্ডটা তাসের খেলায় শেষ মুহুর্তের আগে ফেলাই হবে না। পরের খেলা শুরু হবার আগে ফেলা হবে এই ট্রাম্প কার্ড। যেন পরের বোর্ড খেলার জন্য কিছু পুঁজি থাকে। তাহলে তার আগ পর্যন্ত কি কার্ড খেলা বন...

সংক্ষেপে বঙ্গাব্দের ইতিহাস

ছবি
বাংলা সনের সূচনা হয় সপ্তম শতাব্দীতে গৌড়ের রাজা  শশাঙ্কের সময়ে। যদিও তা বৈশাখে শুরু হতো না। সেই পঞ্জিকা (ক্যালেন্ডার) শুরু হতো হেমন্তের অগ্রহায়ণ থেকে। অগ্রহায়ণ শব্দটিই এসেছে ‘অঘ্র’ ও ‘আয়ন’ এই দুটি শব্দ থেকে। ‘অঘ্র’ অর্থ ‘প্রথম’ আর ‘আয়ন’ অর্থ ‘বছর’। সে হিসেবে ‘অগ্রহায়ণ’ এর শাব্দিক অর্থ দাঁড়ায় ‘বছরের প্রথম’। ২৭টি তারার অবস্থানের উপর ভিত্তি করে এ ভূখন্ডের জ্যোতির্বিদরা জন্ম দিয়েছিল সেই বাংলা পঞ্জিকা। তারাগুলো হলো- মৃগশিরা (Lambda Orionis), আর্দ্রা (Betelgeuse), পুনর্বসু (Castor & Pollux), পুষ্যা (Delta Cancri), অশ্লেষা (Alpha Hydrae), মঘা (Regulus), পূর্বফল্গুনী (Delta Leonis), উত্তরফল্গুনী (Denebola), হস্তা (Delta Corvi), চিত্রা (Spica), স্বাতী (Arcturus), বিশাখা (Alpha Librae), অনুরাধা (Delta Scorpionis), জ্যেষ্ঠা (Antares), মূল (Lambda Scorpionis), পূর্বাষাঢ়া (Delta Sagittarii), উত্তরাষাঢ়া (Sigma Sagittarii), শ্রবণা (Altair), ধনিষ্ঠা (Alpha Delphini), শতভিষা (Gamma Aquarii), পূর্বভাদ্রপদ (Alpha Pegasi), উত্তরভাদ্রপদ (Gamma Pegasi), রেবতী (Zeta Piscium), অশ্বিনী (Alp...

বাংলাদেশের জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিক্ষা ব্যবস্থা

ছবি
সম্প্রতি ইউনেস্কো (UNESCO) প্রকাশিত 'বিশ্ব শিক্ষা পরিসংখ্যান' প্রতিবেদনে উঠে এসেছে- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ন্যূনতম দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হারে বাংলাদেশের অবস্থান সবার তলানিতে। মানে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দক্ষ শিক্ষকের হার সর্বনিম্ন। এতে অবাক হবার কিছু নেই। মাস্টার্স পাস না করলে দপ্তরির চাকরিতে নিয়োগ নেয়া হয় না, তবু বলবো নেই। এটা পরিসংখ্যানে প্রকাশ হওয়ায় দৃশ্যমান হয়েছে, তবে প্রকাশ হবার আগেও অদৃশ্য ছিল না। বাংলাদেশের শিক্ষাক্রম হলো গিনিপিকের শিক্ষাক্রম। এক সরকার এসে এই পদ্ধতি চাপিয়ে দেয়, তো আরেকজন ঐ পদ্ধতি। এটা যে শুধু একটা এক্সপেরিমেন্ট না, এটা একটা প্রজন্মের অসংখ্য ভবিষ্যৎ তা আমাদের সরকার প্রধানরা বোধহয় ভুলে যান। তাই এখানে না দক্ষ শিক্ষক উঠে আসে, না দক্ষ শিক্ষার্থী। তাছাড়া এই উপমহাদেশকে বিজ্ঞান নয় ইতিহাস শাসন করে, তাই এখানে মেধা-অপচয় সর্বোচ্চ। এখানে মেধা বা দক্ষতার চেয়ে মনে রাখার ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ। যদিও এখানে বাচ্চাদের সারাদিন-রাত নিউটন-আইনিস্টাইন গিলানো হয় নিয়ম করে, কিন্তু হজম করতে শিখায় না বিধায় বিজ্ঞানের কোনো উপকারই হয় না। দিনশেষে ম্যাক্সওয়েলের শর্ত...

স্বপ্নে আমি কি দেখলাম!

স্বপ্নে দেখলাম একজন জনপ্রিয় লেখকের সাথে দেখা করতে গেছি। উদ্দেশ্য তিনি কিভাবে শুধু লেখালেখির জোরে জগৎ সংসার ম্যানেজ করছে দেখা। আমাকেও তিনি মুড়ি খেতে দিলেন। তিনি নিজেও মুড়ি দিয়ে মুড়ি খাচ্ছিলেন। পরে বুঝলাম উনি মুচমুচে মুড়ি দিয়ে নেতিয়ে পড়া মুড়ি খাচ্ছিলেন। আমি আমার জবাব পেয়ে গেছি। তবে ঘুম থেকে উঠে কিছুতেই মনে করতে পারছি না লেখকটা কে ছিল। নাকি লেখকটা ভবিষ্যতের আমিই ছিলাম? নিজের ভবিষ্যৎ দেখিয়ে কি ওপরওয়ালা থ্রেট দিলেন!

MAGA is an illusion/আমেরিকার মেগা একটি জাতীয় ধোঁকা

ছবি
War isn't just a battle of nations— it's leaders gambling with soldiers' lives using a deck of lies. যুদ্ধ শুধু দু‘দেশের লড়াই না। সেখানে নেতাদের মিথ্যে কথার সাথে সৈনিকদের জীবনের জুয়া খেলা হয়। Real Eyes Realize Real Lies

সবাইকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা

ছবি
বহিরাগতদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশীদের সর্বশেষ মুক্তি সংগ্রামের সূচনালগ্নের শুভেচ্ছা।

শতাব্দির আর্তনাদ

ছবি
আমাদের শৈশবে ঘুম পাড়ানি ছড়ার অর্থ মোটেই আমাদের শৈশবের মতো আনন্দময় ছিল না। এটা কোনো ছেলে ভুলানো ছড়া হবার কথাই ছিল না, এটা অনাচারের বিরুদ্ধে এক কবির প্রতিবাদ। সম্ভবত ছড়াটি মানুষের মনে গেঁথে গিয়েছিল বলে যুগ-যুগ ধরে মায়েরা অর্থ না বুঝেই এ গানে ঘুম পাড়িয়ে আসছে সন্তানকে। আমার মনে হয় না অর্থ জানার পর কোনো মা তার সন্তানকে এ ছড়া শুনিয়ে ঘুম পাড়াতে পারবে।  যাই হোক, ছড়াটি ছিল এমন—  ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো, বর্গী এল দেশে বুলবুলিতে ধান খেয়েছে, খাজনা দেব কিসে? ধান ফুরল, পান ফুরল, খাজনার উপায় কি? আর ক’টা দিন সবুর কর, রসুন বুনেছি। ধনিয়া-পিয়াজ গেছে পচে, সর্ষে ক্ষেতে জল খরা-বন্যায় শেষ করিল বৎসরের ফসল। ধানের গোলা, চালের ঝুড়ি সব শুধু খালি, ছিন্ন কাপড় জড়িয়ে গায়ে শত শত তালি। ধানের গাছ, বিলের মাছ যাই কিছু ছিল নদীর টানে বাঁধটি ভেঙ্গে সবই ভেসে গেল। এ বারেতে পাঁচ গাঁয়েতে দিয়েছি আলুর সার আর কটা দিন সবুর করো মশাই জমিদার। এবার ব্যাখ্যা করি— “ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো বর্গী এল দেশে।” বর্গী ছিল মারাঠি দস্যুদল। মগদের মত তারাও কোথাও আক্রমণ চালালে মানুষ মেরে, লুটপাট করে সারা পাড়া বিরাণ করে দিতো। সেখানে কথক ...

প্রজেক্ট: বাইনারি রোধবক্স

ছবি
সরল সার্কিট চিত্র: এটাই একটি রোধবক্সের সার্কিট রোধবক্সের বিবরণ: ১.৫ ভোল্ট বা তার নিচের বিভবে সরাসরি যুক্ত করলেও নিরাপদে ব্যবহার করা যাবে। মানে দুই পাশে একটা পেন্সিল ব্যাটারি ধরে রাখলেও নষ্ট হবে না। ১. সুইচ ১১টা- সর্বনিম্ন রোধের রকার সুইচ (২০০-৩৫০ টাকা) দারাজে আরও কম দেখাচ্ছে। ২. বাইন্ডিং পোস্ট ২টি (৩০-৬০ টাকার ভেতরে):  দারাজে বেশি দেখাচ্ছে। মেকার্স বিডির দামও বেশি। এমনিতে আমার কাছে আছে। ঠিক আছে নাকি চ্যাক করা দরকার। ৩. রোধ ১০টা-১% বা তার কম   টলারেন্স   (পটুয়াটুলি/সাইন্স ল্যাব ১০০ টাকার মধ্যে): ৫ Watt- 1Ω   (১% টলারেন্স  সিরামিক  পাওয়া যায়) , 2Ω (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়), ২ Watt- 4Ω  (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়), ১ Watt- 8Ω   (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়) , 16Ω   (১% টলারেন্স Metal Film পাওয়া যায়), ০.৫ Watt- 32Ω (৩০+২), 64Ω (৬২+২), 128Ω (১২০+৮), 256Ω (২৪০+১৬), 512Ω (৫০০+১২) অর্থাৎ সরাসরি  না পাওয়া গেলে,  ১Ω-১ [ সিরামিক,  ৫ ওয়াট] ২ Ω-৩  [ সিরামিক,  ৫ ওয়াট] ৪Ω-১ [ Metal Film, ২ ওয়াট]  ৮Ω-২...

আমাদের স্কুল-কলেজের ল্যাবের অধিকাংশ যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকে কেন?

ছবি
ল্যাবে ঢুকলেই দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ যন্ত্র নিখুঁত মান দেয় না তো ঐ যন্ত্র একেবারেই নষ্ট। কখনো ভেবে দেখেছেন এমন হয় কেন? কারণ আর কিছুই না। আমাদের শিক্ষার্থী বা প্রশিক্ষক কেউই খেয়াল রাখে না, একটা যন্ত্রের সহ্য ক্ষমতা কতটা। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটা যন্ত্রাংশের একটা সহনীয় ক্ষমতা থাকে। রোধবক্স রোধবক্সের কথাই ধরুন। আমাদের ল্যাবে ১Ω-১০০০Ω পর্যন্ত মানের যে রোধবক্সগুলো থাকে সেগুলো সাধারণত ৫ ওয়াটের হয়ে থাকে। একটা রোধবক্সের প্রত্যেকটা রোধ বা এর অভ্যন্তরীণ রোধ সমান ভোল্টেজ সহ্য করতে পারে না। যত কম রোধ তা সাধারণত তত কম ভোল্টেজ সহ্য করতে পারে। আপনি সরাসরি ১২ ভোল্টের ব্যাটারির দুই প্রান্তে লাগিয়ে দিয়েও ৩০Ω এর চেয়ে বড় যেকোনো মানের রোধ পরিক্ষা করতে পারবেন সহজেই। কিন্তু সরাসরি ব্যাটারির দুই প্রান্ত কানেক্ট করে যখন আপনি ২৮.৮Ω এর চেয়ে কম মানের রোধ তুলবেন তখনই তা গরম হতে শুরু করবে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে নষ্ট হয়ে যাবে। পরে শর্ট সার্কিট হবে, মানে রোধবক্সের ঐ রোধটা আর কাজ করবে না। এখন তাহলে প্রশ্ন হলো, যদি কাজ করা না যায় তাহলে এই রোধগুলো কেন দেয়া হয়? উত্তর হলো, কম ভোল্টে ব্যবহার করার জন্য। বিশেষ করে রোধবক্...

আমার ডিজাইন করা হাইব্রিড শ্রেণী বর্তনী

ছবি
শ্রেণিতেও যেন প্রতিটা বাল্ব আলাদাভাবে জ্বালানো যায় সেজন্য এই সার্কিটটা ডিজাইন করেছিলাম অনেকদিন আছে। সম্ভবত ৯ম শ্রেণীতে থাকার সময়। সার্কিটটা সরল এবং মৌলিক। উচ্চ ভোল্টেজ সহ্য করতেও এই সার্কিট সেরা। এই সার্কিট দিয়ে যা যা করা যাবে রোধবক্স জাতীয় যন্ত্রপাতি বানানো, উচ্চ ভোল্টেজে নষ্ট হয় এমন যন্ত্রের নিরাপত্তা দেয়া, কোন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়েছে তা সহজেই নিশ্চিত করা। সার্কিটের থ্রিডি মডেল দেখে আসতে পারেন। মানে স্যামুলেশন করতে পারেন এই ‍লিংকে ক্লিক করে,  https://www.tinkercad.com/things/jS1AUzemw6G-hybrid-series-circuit-?sharecode=G3_6xXAW9vp_ufCDPLc3hW_4_A4oVvZc3ScE3Eo_62M
FS Quote