১০ মিটার জায়গাও পেলাম না যেটুকু ২০২৬ সালে এসে স্বাস্থ্যকর দেখাচ্ছে। চট্টগ্রামের কিছু অংশ শুধু বায়ুর দূষণমাত্রা চলনসই। স্বাস্থ্যকর না, তবে শ্বাস নেয়ার উপযুক্ত। মানে এখনও পুরোপুরি অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেনি। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা, যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা কলকারখানা, এমনকি পরিষ্কারের নামে খোলা পরিবেশে বিশাল এলাকাজুড়ে আবর্জনা পোড়ানো, রাস্তাভরা ধুমপায়ীদের ধুমপান সবকিছুই একটু একটু বিষ ঢালছে আপনার-আমার শ্বাসে। আপনি বলবেন আমি আর কি এমন করি। আসলে আপনার-আমার অতি সামান্য কাজগুলোই হুমকি হয়ে উঠছে আপনার ও আপনার আপনজনদের। ইদানিং এই স্যাঁতসেঁতে সমাজে শেওলার মতোই জন্ম নিচ্ছে ডায়াগনিস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল তবু বেড খালি নেই। রোগী নিয়ে হিমসিম খাচ্ছে হাসপাতাল। রোগী পচছে করিডোরে। ঠিক আবর্জনাগুলোর মতোই। রোগ নিরাময়ের কোনো লক্ষণই নেই? কেন নেই? জবাব আপনি-আমিই। যেই খাবার খাচ্ছি তাতে বিষ, যেই বাতাস নিচ্ছি তাতে বিষ, যে পানি খাচ্ছি তাতেও পাইপ আর টাংকির মাইক্রোপ্লাস্টিক এমনকি যে ঔষধ খাচ্ছি তাতেও বিষ। এবার বলুন, কোন দুঃখে আপনি-আমি বা আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম সুস্থ্য...