পোস্টগুলি

ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর আসন্ন বই ‘বারো ভূতের আঠেরো গপ্প’ ‘বঙ্গভূতের সঙ্গগুণে’ নিয়ে কোনো প্রকাশন কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।

অপরাধী ও কাপুরুষদের বিরুদ্ধে ইরানের হুঁশিয়ারি

ইরানের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবল ফজল শেকারচি প্রেসব্রিফিংয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “মুসলিম সরকারদের নরমসুরে সতর্ক করছি, কাপুরুষতা বাদ দিয়ে অপরাধী যুক্তরাষ্ট্র আর অসভ্য ইহুদী গোষ্ঠীর মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নাও। নয়তো যেমন বিস্ফোরণ ও যুদ্ধের ঘটনা তাদের সাথে ঘটছে, একই ঘটনা তোমাদের সাথেও ঘটবে। আর তোমরা যদি ব্যারল প্রতি ২০০ ডলারের ওপর তেল কিনতে পারো তাহলে খেলা চালিয়ে যাও।”

কে এই কান্ট?

ছবি
কিছু মানুষ গণতন্ত্র  নেই বলে ইরানকে অশিক্ষিত বর্বর দাবি করলে সোশ্যাল মিডিয়াতেই উঠে আসে ইরানি রাজনীতিবিদদের শিক্ষাগত যোগ্যতা। যেখানে আলী আরদাশির লারিজানি যিনি বর্তমানে ইরানের জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ এবং ইসলামিক রেভুলেশনারি গার্ডের প্রাক্তন কর্মকর্তা ছিলেন তার ২০০৪ সালে প্রকাশিত তিনটা বইয়ের প্রত্যেকটার শিরোনামেই উঠে আসে কান্টের নাম। বই তিনটি ছিল The Mathematical Method in Kant ’s Philosophy, Metaphysics and the Exact Sciences in Kant ’s Philosophy এবং Intuition and the Synthetic A Priori Judgments in Kant ’s Philosophy এখন প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক এই কান্টটা কে? পুরো নাম ইমানুয়েল কান্ট। ১৮ শতকের বিরাট দার্শনিক (তাছাড়া পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের তার অবদান ছিল)। তার দর্শনে এবং তার আগের দর্শনে আকাশ-পাতাল তফাৎ। এই জার্মান দার্শনিকই আধুনিক দর্শনের ভিত্তি গড়ে দিয়ে গেছেন। জন্ম নিয়েছে আন্তর্জাতিক আইন ও তাতে মানবাধিকারের সংজ্ঞা। (আগেই বলে রাখি তার এই তত্ত্বগুলো একটু জটিল, শুনতে অনেকটা প্যারাডক্সের মতো।) তার বিখ্যাত কিছু দর্শন ১. নীতিবিদ্যা: তিনি নীতির একটা অসাধারণ সংজ্ঞা দেন। সা...

ভবিষতের বাতাস

ছবি
১০ মিটার জায়গাও পেলাম না যেটুকু ২০২৬ সালে এসে স্বাস্থ্যকর দেখাচ্ছে। চট্টগ্রামের কিছু অংশ শুধু বায়ুর দূষণমাত্রা চলনসই। স্বাস্থ্যকর না, তবে শ্বাস নেয়ার উপযুক্ত। মানে এখনও পুরোপুরি অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেনি। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা, যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা কলকারখানা, এমনকি পরিষ্কারের নামে খোলা পরিবেশে বিশাল এলাকাজুড়ে আবর্জনা পোড়ানো, রাস্তাভরা ধুমপায়ীদের ধুমপান সবকিছুই একটু একটু বিষ ঢালছে আপনার-আমার শ্বাসে। আপনি বলবেন আমি আর কি এমন করি। আসলে আপনার-আমার অতি সামান্য কাজগুলোই হুমকি হয়ে উঠছে আপনার ও আপনার আপনজনদের। ইদানিং এই স্যাঁতসেঁতে সমাজে শেওলার মতোই জন্ম নিচ্ছে ডায়াগনিস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল তবু বেড খালি নেই। রোগী নিয়ে হিমসিম খাচ্ছে হাসপাতাল। রোগী পচছে করিডোরে। ঠিক আবর্জনাগুলোর মতোই। রোগ নিরাময়ের কোনো লক্ষণই নেই? কেন নেই? জবাব আপনি-আমিই। যেই খাবার খাচ্ছি তাতে বিষ, যেই বাতাস নিচ্ছি তাতে বিষ, যে পানি খাচ্ছি তাতেও পাইপ আর টাংকির মাইক্রোপ্লাস্টিক এমনকি যে ঔষধ খাচ্ছি তাতেও বিষ। এবার বলুন, কোন দুঃখে আপনি-আমি বা আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম সুস্থ্য...

পারমাণবিক বোমার সমীকরণ

ছবি
  জানেন পুরো মানবজাতিতে ধ্বংস করতে সাধারণ আকারের কয়টা  পারমাণবিক বোমা মানে  নিউক্লিয়ার বোমা প্রয়োজন? পৃথিবীতে বর্তমানে নিউক্লিয়ার বোমা মজুদ আছে ১২,০০০ থেকে ১২,৩০০টির মতো। যার পরিমাণ বাস্তবে আরও অনেক বেশি। কারণ কোনো দেশই তাদের প্রকৃত পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা পুরোপুরি প্রকাশ করে না। বর্তমানে যে কয়টা আছে তার পরিমাণও পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলো ক্রমাগত বাড়িয়েই চলেছে। যার মধ্যে শুধু অনলাইন করাই আছে ৯,৬০০টি। অর্থাৎ লোকেশন ক্লিক করে বাটন টেপা মাত্রই ছুটে যাবে গন্তব্যে আর শুরু হবে ধ্বংসলিলা এমন ওয়ারহেড আছে ৯,৬০০টি। ইলন মাস্কের এআই গ্রক বলছে, পুরো পৃথিবী ধ্বংস করতে এতগুলো বোমার কোনো প্রয়োজনই হবে না। মাত্র ৫-১০% বোমা অর্থাৎ ৫০০-১,০০০টি বোমাই দুনিয়া থেকে মানুষকে চিরতরে মিটিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। তাহলে কী উদ্দেশ্যে রাশিয়া ৫,৪৫৯টি, আমেরিকা ৫,১৭৭টি আর চীন ৬০০টি পারমাণবিক বোমা মজুদ রেখেছে। মানে গণিতের ভাষায় রাশিয়া আর আমেরিকা এককভাবে ৫ থেকে ১০বার পৃথিবীর মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। যদিও তা বাস্তবে সম্ভব নয়। কারণ ১ম বার মানুষ বিলুপ্ত হবার পরই পৃথিবীতে ২য় বার হামলা চালানোর কেউ থাকব...

এই যুদ্ধ কোনদিকে যাচ্ছে?

ছবি