পোস্টগুলি

নাগাসাকি দিবস

আজ ৯ আগস্ট, ঐতিহাসিক নাগাসাকি দিবস। ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় নিউক্লিয়ার বোমা ‘লিটল বয়’ দিয়ে হামলার ৩ দিন পর এ দিনে আমেরিকার B29 সিরিজের এক বিমান দিয়ে ‘ফ্যাটম্যান’ নামক বোমা ফেলা হয় নাগাসাকি শহরে। এ হামলায় তাৎক্ষণিক ও তেজস্ক্রিয়তার ফলে ক্যান্সারের মত রোগে আক্রান্ত হয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে অসংখ্য নিরীহ মানুষ। ১৯৪৫ সাল শেষ হবার আগেই মৃতের সংখ্যা ৭৪,০০০ ছাড়ায়। যা জাপানকে আমেরিকার বশ্যতা স্বীকারে এবং চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে যে জাপান কোনোদিন পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তুলে নিতে পারবে না। এভাবেই সমাপ্তি ঘটে সামুরাই বংশধরদের। তারা যুদ্ধ নয়, শান্তিতে বিশ্বাসী এখন। এই যে আজ জাপান এত উন্নত তার মূল কারণ তারা অন্যদের বিষয় নিয়ে নাক গলানোর চেয়ে নিজেদের উন্নয়ন চেষ্টায় মনোযোগী হয়েছে। পৃথিবীতে যদি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধও শুরু হয় আমার ধারণা জাপানে তার প্রভাব পরবে শূন্য। বিজ্ঞান আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে তবে সেজন্য মূল্যও কম দিতে হয়নি।

আজ বিশ্ব ইতিহাসে সর্বনিম্ন সময়ে সর্বোচ্চ মানুষ মেরে রেকর্ড গড়ার দিন

আজ বিশ্ব মানবতার প্রতীক আমেরিকার সবচেয়ে অল্প সময়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারার রেকর্ড গড়ার দিন। হিরোশিমায় বোমা ফেলে আমেরিকা পরাজিত দেশের নিরিহ মানুষগুলোর ওপর চালিয়েছিলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় এক্সপেরিমেন্ট।

কখন একটা লেখা কবিতা হয়ে উঠে?

কবিতা (Poem), যাকে বলা হয় সাহিত্যের মুকুট। বাংলাতো সেই কবিতার দেশ। এখানের মাটির মতো ভাষাও দারুণ উর্বর। এখানে মানুষের সাহিত্যচর্চা শুরুই হয় নতুন কোনো ছন্দ বুনে বা মনে মনে নতুন কোনো গানের সুর তুলে। খুব সহজেই এক শব্দের সাথে আরেক শব্দের মিল দিয়ে গেঁথে ফেলা যায়, কাব্য নামক নকশিকাঁথা।  যদিও বর্তমানে সাহিত্যে কবিতার নামে যা চলে তার বেশিরভাগই কবিতা না। যার কারণে বেশিরভাগ পাঠকই কবিতা পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। উইকিপিডিয়াতেও দেখলাম কোনটা কোন ছন্দ, তাদের বৈশিষ্ট্য কি স্পষ্ট করে লেখা নেই। একটার সাথে আরেকটা গুলিয়ে ফেলা হয়েছে। না থাকুক, আমি বিষয়টা সহজ করার চেষ্টা করছি। আশা করি যারা কবিতা লেখতে চান, তাদের কাছে বিষয়টা সহজ হবে। কবিতা প্রধানত  অন্ত্যমিলের ভিত্তিতে  ২ ধরনের। মিত্রাক্ষর ও অমিত্রাক্ষর। মিত্রাক্ষর যেসব কবিতার অন্ত্যমিলগুলো (লাইনের শেষের মিলগুলো) জোড়ায় জোড়ায় থাকে তারা মিত্রাক্ষর। আরো নিখুঁতভাবে বললে একটা নিয়মে অন্ত্যমিলগুলো সাজানো থাকে। আর এর ছন্দ  মিত্রাক্ষর ছন্দ। যেমন: রবীন্দ্রনাথের ‘দুই বিঘা জমি’ কবিতার কথা চিন্তা করুন। শুধু বিঘে-দুই ছিল মোর ভুঁই, আর সবই গেছে ঋ ণে । ...

বিষকন্যা (প্রাচীন সিন্ধু অঞ্চলের মানব অস্ত্র)

ছবি
  প্রাচীন ভারতে ' বিষকন্যা ' বলে একটা কনসেপ্ট ছিল। কোনো রাজা তাঁর প্রতিপক্ষ শিবিরে পাঠিয়ে দিতেন এই বিষকন্যাদের। তারা ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন মানব অস্ত্র । কোনো ঢাল-তলোয়ার নেই , নেই কোনো যুদ্ধ ; একটা চুমুই কেড়ে নিত শত্রুর প্রাণ। প্রাচীন সাহিত্যে এর বর্ণনা পাওয়া গেলেও এই নিঁপুণ খুনীদের ইতিহাসে পাওয়া দুঃসাধ্য । চাণক্যের চন্দ্রগুপ্তকে বাঁচানোর গল্প এই তালিকায় সবচেয়ে জনপ্রিয় । রাজা পর্বতকের হয়ে তাঁর প্রধান অমাত্য (প্রধানমন্ত্রী) রাক্ষস ( তার নাম আসলেই রাক্ষস ছিল , নাকি লিপিকার গালি দিয়েছে কে জানে ?) প্রতিদ্বন্দ্বী রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে হত্যার ছক কষেন। কিন্তু চাণক্য তা ধরে ফেলেন এবং সেই বিষকন্যার মাধ্যমে স্বয়ং পর্বতককেই সরিয়ে দেন। চাণক্য বিষকন্যা কনসেপ্টটা গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলো ।   ঐ সময়ে বিশেষ বিশেষ কিছু নক্ষত্রে জন্ম নেওয়া রূপসী মেয়েশিশুদের বিষকন্যা হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয় বলে শোনা যায় । অর্থশাস্ত্রে বিষ নিয়ে আরেকটি কনসেপ্ট আছে । এমন এক গোপন বিষের , যাতে বিভিন্ন বিষের মিশ্রণে তৈরি এই বিশেষ মিশ্রণের বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হলেও তা বোঝা যাবে না। ঠিক সাধারণ...

খানদানি খুড়োর খপ্পরে খুদিরাম (খ শ্রুতিপ্রাস)

খালপাড়ার খামখেয়ালি খগেনের খোঁজে খুদিরাম খাদু খুড়োর খামারবাড়ির খিড়কিতে খাড়াইতেই, খোদ খুড়োর খপ্পরে। খুড়ো খাইতে খাইতে খবর খুঁজিলেন। খড়গপুরে খালিদ খন্দকারের খবর। খুদিরামের খবরানুযায়ী খালিদ খোদ খলিফার খাসআদমি খাজাঞ্চি খলিল খানের খানদানের খাস খাদেম। খড়গপুরে খুঁটি খাটাইবার-ক্ষণে খামোখাই খালিদ খালাতোবোন খালেদার খবর খুব খুঁজতো। খুদায় খালেদার খয়েরের খামারে খাবার খোঁজার খবরে খুব খেপেছিল খালিদ। খুড়ো খাবারটা খাইয়া, খাটের খুটিতে খাটানো খড়িতে খুটিয়া খুব খোয়াইশে খাড়াইলেন। খোদ খড়িখানায় খড়মখানি খুঁজিলেন। খুড়ো খানসামার খবরে খুশি। খন্দকারের খানদানকে খবরটা খাওয়াইবেন। খুড়ো খিড়কিতে খাঁড়াইলেন। খবরদারীর খেয়ালে খিলখিলাইলেন। খাইতে খাইতে খগেনের খোঁজে খাঁড়াইলে, খোদ খুদিরামের খবরে খারাপী। খাদে খাড়াইয়া খন্দকার-খাঁড়াদের খড়্গ-খাড়ার খানদানী খণ্ডযুদ্ধের খুনোখুনি খেয়ালের খায়েশ খোয়াইলো খুদিরাম। খুড়ো খিড়কি খুলিতেই খুদিরাম খাড়া খালের খাদে।

‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’ নামক সমানাধিকারের নামে অসমতা

এ দেশীয় খবরে চিরকাল দেখা যায় ‘ বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ’ ধরনের একটা টার্ম! আজকেও দেখলাম। এই শিরোনামের আসলে মানে কি? বিয়ের প্রলোভনে বলতে দু’জনের সম্মতিতে অবৈধ শারীরিক সম্পর্কটা হয়েছিল, এখন সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ায় তা নারী নির্যাতন আইনের মারপ্যাঁচে ধর্ষণ হয়ে গেছে। ধর্ষণকে এত সিম্পলিফাই করে বা সহজ করে দিয়েন না। ধর্ষণ প্রায় খুনের সমমানের এক অপরাধ । ধর্ষক খুনির সমমানের অপরাধী। কিন্তু এক্ষেত্রে দু’টোর অবৈধ সম্পর্কে কারাগারে একটা যাবে কেন, দু’টোকেই নিন। দুটোই অপরাধী। বিঃদ্রঃ এক্ষেত্রে ইসলামিক শরিয়াহভিত্তিক দেশগুলোতে জনসমক্ষে দুটোকে ১০০ বেত মারার নিয়ম, অন্যদিকে আমেরিকায় ২জনের প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের নিজের সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাকে অপরাধ ধরাই হয় না। তবে আমাদের গণতান্ত্রিক দেশে একজনের ছয় মাসের জেল-আরেকজনের এক মাসের মধ্যে অপরিচিত প্রবাসীর সাথে বিয়ে হয় । অন্যদিকে আমেরিকায় দুজনেরই আছে ব্যক্তি স্বাধীনতা। বিশেষ দ্রষ্টব্যের বিশেষ দ্রষ্টব্য, তারা কিন্তু নারী পুরুষ সমান হিসেবেই বিচার করেছে, বাংলাদেশ করছে একপাক্ষিক।

প্রজেক্ট: লো পাওয়ার লং টাইম ড্রোন

ছবি
এই ড্রোন শুধু ২ নবের রিমোট ব্যবহার করে যেকোনো দিকে বা যেকোনো উচ্চতায় নেয়া যাবে মডেলটি ৪ সেক্টরের। ১. ২ ডানা, ২. ট্রান্সমিট ইউনিট, ৩. ডিরেকশন কন্ট্রোলার ও  ৪. পেছনে মোটর ইউনিট। সেক্টর ১: প্রতি ডানায় প্রপেলার যা যা থাকবে- দুটি হ্যালিক্যাল গেয়ার, ২টা প্রপেলার, ২টা প্রপেলার স্টেন্ড আর মোটর থেকে রিবন পর্যন্ত রাবারের রিবন। যেভাবে থাকবে- সেক্টর ২:  ট্রান্সমিট ইউনিট যা যা থাকবে- আরডুইনো ও ক্যামেরা অথবা ESP32 CAM টাইপ ক্যামেরাগুলোর কোনো একটা, ২টা SMD মসফেট, সুইচ ও চার্জিং পোর্ট। সেক্টর ৩: ডিরেকশন কন্ট্রোলার  যা যা থাকবে- মোটর, ওয়ার্ম গেয়ার সেট, সার্কেল, ওয়ার্ম গেয়ারের ওপরের বৃত্তাকার টেবিল আর ব্যাটারি। সেক্টর ৪: পেছনে মোটর ইউনিট যা যা থাকবে- একটি মোটর। তাছাড়া- প্রধান মোটর (সেক্টর ৪), ডিরেকশন কন্ট্রোলার মোটর, ব্যাটারি আর ক্যামেরা মডিউল জোড়া দেয়ার জন্য লাগবে তার ২৬ গেজের তার। ক্যামেরা মডিউলের জন্য (এক্ষেত্রে ক্যামেরা মডিউলে কোড প্রবেশ করাতে লাগবে  FTDI USB-to-TTL Programmer মডিউল )  বা   আরডুইনোর জন্য লেখতে হবে কোড।
ফারহান সাদিক (সংগ্রাম) এর কাব্যগ্রন্থ ‘সিলেট জয়ের নৈপথ্যে’, ‘কালিদাসের মেঘদূতের প্রমিত অনুবাদ’ আর ‘গোরস্তানের দারোয়ান’ নিয়ে কোনো প্রকাশনী কাজ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন।
FS Quote